২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

মাধবপুরে কিশোরী ধর্ষণ, প্রেমিকসহ ৩ কিশোর আটক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাধবপুর প্রতিনিধি:হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রামবাসী ৩ ধর্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

এ ঘটনায় আটক তিনজনের নামে বুধবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে কিশোরীর পিতা আলাউদ্দিন বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ সব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মাধবপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত কর্মকর্তা কামরুজামান।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার বহরা গ্রামের রঙ্গুমিয়ার ছেলে আবদাল মিয়া (১৮) একই উপজেলার বানিয়া পাড়া গ্রামের আব্দুল সালামের ছেলে মনির মিয়া (১৮) বেলাপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে খুরশেদ মিয়া (১৮)।

ধর্ষণের শিকার কিশোরীর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২২ জানুয়ারি) রাতে আটক প্রেমিক আবদাল মিয়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মঘর ইউনিয়নের সুলতান পুর গ্রামের আলাউদ্দিনের কিশোরী কন্যাকে বেলাপুর গ্রাম নানা বাড়ি থেকে বের করে নেয়। পরে রাতে বহরা রাবার ড্যাম সোনাই নদীর পাড়ে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে একই স্থানে আবদালের দুই বন্ধু খুরশেদ ও মনির কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এসময় মেয়েটির চিৎকারে গ্রাম বাসীরা এগিয়ে এসে তিন ধর্ষককে ধাওয়া দিয়ে আটক করে কাসিমনগর ফাঁড়ী পুলিশের নিকট সোপর্দ করে।

এ ব্যাপারে কাসিমনগর ফাঁড়ীর উপ পরিদর্শক (এস আই) শাহআলম জানান, “প্রাথমিক জিজ্ঞসাবাদে আটক তিনজনই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করেছে। ধর্ষণের স্বীকার কিশোরীর পিতার সঙ্গে মায়ের বিবাহ বিচ্ছেদের পর মেয়েটি বেলাপুর নানা তাহের মিয়ার বাড়ি থেকে তালিবপুর আহছানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করত। কিশোরীর সরলতার সুযোগ নিয়ে আটক আবদাল মিয়া প্রেমের অভিনয় করে অসৎ মতলবে দুই বন্ধুকে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করেছে।”

মাধবপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত কামরুজ্জামান জানান, “আটক তিন ধর্ষককে বুধবার বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি