২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ঝিকরগাছায় দুই ভাইপোর বিরুদ্ধে জিডি করলো ইউপি চেয়ারম্যান চাচা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শাহাবুদ্দিন মোড়ল ঝিকরগাছা

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা ৮নং নির্বাসখোলা ইউনিয়নে সাদীপুর গ্রামে দুই ভাইপোর বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়রী করলো ইউপি চেয়ারম্যান চাচা নজরুল ইসলাম (৬০)। তিনি বর্তমানে ৮নং নির্বাসখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাদীপুর গ্রামের মৃত ছিদ্দিক হোসেনের ছেলে। উক্ত সাধারণ ডায়রীতে বিবাদী করেন, আপন ভাইপো মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে জ্যাক হাসান মিন্টু (৩৫) ও মৃত রুহুল আমিনের ছেলে সাইফুল হাসান পিন্টু (৩২)।
সাধারণ ডায়রীতে চেয়ারম্যান চাচা উল্লেখ করেছেন, বিবাদীগণ খুব খারাপ ও উচ্ছৃংখল প্রকৃতিক লোক। বিবাদীগণের ফেসবুক আইডিতে চেয়ারম্যান চাচার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রকার মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ভাইপো পিন্টু ফেসবুক লাইভে এসে চেয়ারম্যান চাচার নামে উস্কানি মূলক বক্তব্য দিয়ে বল্লা গ্রামস্থ স্বর্ণকার মিলনের কাছে ৫০ হাজার টাকা নেওয়া, সাদিপুর গ্রামস্থ ইছহাক আলীর স্ত্রী মনিয়া বেগমের একটানা ৫ বছর ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছে। অন্যায়ের প্রতিবাদ নামের আইডি দিয়ে চেয়ারম্যান চাচার নামে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠায়।
আগুনে পুরা জীবন নামের ফেসবুক আইডিতে চেয়ারম্যান চাচার নামে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে চাঁদাবাজি করে বাড়ি বানানোর অভিযোগ উঠায়। নির্বাসখোলা ইউনিয়ন যুবলীগ ফেসবুক আইডি দিয়ে চেয়ারম্যান চাচার নামে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এম ডি মাইকেল মিন্টু ফেসবুক আইডি দিয়ে কানারালী গ্রামস্থ মুসা কে মারপিট ও একই গ্রামের বক্তাজামানের স্ত্রী রেখার নিকট থেকে ৫ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠায়। এমতাবস্থায় গত ১৫ জুলাই ২০২১ সকাল অনুমান সাড়ে ৯ টায় ১ ও ২ নং বিবাদী বা ভাইপো’র দের তার (চেয়ারম্যান চাচা) উপর অপপ্রচারের বিষয়ে নিষেধ করলে বিবাদীগণ বা ভাইপোগণ ক্ষিপ্ত হয়ে তারা তাদের চেয়ারম্যান চাচাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি সহ খুন-জখম করবে বলে হুমকি প্রদান করে। যার জন্য চেয়ারম্যান চাচা ভাইপোদের দ্বারা যে কোন সময় ক্ষতি করতে পারে মর্মে আশংকা করে থানায় লিখিত ভাবে সাধারণ ডায়রী বা জিডি করেছেন।
ঘটনা সর্ম্পকে বিবাদী বা ভাইপো জ্যাক হাসান মিন্টু বলেন, সাধারণ ডায়রী অনুযায়ী সুষ্ঠ তদন্ত করা হোক। তদন্তে যদি আমরা দোষী হয় তাহলে আমাদের আইনের আওতায় আনা হোক। আর যাদি তিনি (চেয়ারম্যান চাচা) দোষী হয় তাহলে তাকেও যেন আইনের আওতায় হয়।
থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ৮নং নির্বাসখোলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম তার দুই ভাইপোর নামে সাধারণ ডায়রী করেছেন। সাধারণ ডায়রীর উপর ভিত্তি করে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্তা গ্রহণ করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি