২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

৩৩৩-এ কল করে খাদ্য সহায়তা পেল মঠবাড়িয়া উপজেলার ১১৪ পরিবার।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এম এফ এইচ রাজু পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ

 

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ১১৪ অসহায় দুস্থ পরিবার জাতীয় কল সেন্টার ৩৩৩ নম্বরে কল করে খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন। উপজেলা প্রশাসন অসহায়দের বাড়িতে গিয়ে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন।

জানা গেছে, মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন, সাথে হঠাৎ টানা ৫ দিনের ভারী বর্ষণে পানিবন্ধী হয়ে খাদ্য সঙ্কটে ভুগতে থাকা কর্মবিমুখ ওই অসহায় ১১৪ পরিবার ৩৩৩ নম্বরে কল করে নিজেদের নাম ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে খাদ্য সহায়তা চান। জাতীয় কল সেন্টার ওই তথ্য মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কার্যালয়ে পাঠান। পরে আবেদনকারীদের সে তথ্য যাচাই-বাছাই করে উপজেলা প্রশাসন অসহায়দের বাড়িতে গিয়ে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন।

সহায়তাপ্রাপ্তদের মধ্যে উপজেলা আমড়াগাছিয়া ইউনিয়ন থেকে ৫৮ জন, সাপলেজা ইউনিয়নে ২২ জন , ধানি সাফা ইউনিয়ন থেকে ৯ জন, মিরুখালী ইউনিয়ন থেকে ৫ জন, টিকিকাটা ইউনিয়ন থেকে ৬ জন, বেতমোড় রাজপাড়া ইউনিয়ন থেকে ৫ জন, বড়মাছুয়া ইউনিয়ন থেকে ২ জন, মঠবাড়িয়া পৌরসভা থেকে ৪ জন, এছাড়া গুলিশাখালী, দাউদখালী ও মঠবাড়িয়া (সদর) ইউনিয়নে ১ জন করে মোট ১১৪ জন অসহায় দুস্থ পরিবার এ খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলন তালুকদার জানান, ৩৩৩-এ ফোন করে খাদ্য সহায়তা চাওয়া উপকারভোগী পরিবারগুলোর খোঁজখবর নিয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে আমরা খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেই। কোরবানীর আগের দিন থেকে রবিবার রাত পর্যন্ত তাদের হাতে এ খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়। খাদ্যসামগ্রী হিসেবে প্রত্যেক পরিবারকে ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তেল, ১ কেজি লবন ও ২ কেজি আলুসহ একটি প্যাকেট বিতরণ করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি