১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

সিলেটের ঘাসিটুলা থেকে মাদক ব্যবসায়ী চার জনকে গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সিলেট নগরের ঘাসিটুলা এলাকা থেকে ৪জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। আটকৃতদের দেহ তল্লাশী করে ১৬০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে তিনটায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ঘাসিটুলা সবুজসেনা-এ/১২৮/২ আব্দুর রব প্যারাডাইস নামক বিল্ডিংয়ের নিচতলার একটি কক্ষের ভিতরে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া এন্ড কমিউনিটি সার্ভিস) মো জেদান আল মুসা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আটকৃতরা হলেন শেখঘাট এলাকার মৃত সুলতান মিয়ার ছেলে মো. আফজল হোসেন (২৯), সুনামগঞ্জের মৃত আমজাদ আলীর ছেলে আব্দুল হামিদ স্বপন (৪৭), ঘাসিটুলা এলাকার কয়েছ আহমদ সানির স্ত্রী লিপি আক্তার হিমু (১৯) ও চৌকিদেখি এলাকার আব্দুল কাদির জিলানীর স্ত্রী পারভিন বেগম (২৪)।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সেলিম মিঞার নির্দেশনায় লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ এসআই মো. নূরে আলম সিদ্দিকী সঙ্গীয় ফোর্স সহ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। এই সংক্রান্তে কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং- ২২, তাং- ১৬/০৩/২০১৯ খ্রিঃ ধারা- ২০১৮ সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর ১০(ক) রুজু করা হয়েছে। ধৃত আসামিদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা সিলেট শহরের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তারা দীর্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড করে আসছে। আটকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি