২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সরদার বাদশা ,নিজস্ব প্রতিনিধি।

 

ডুমুরিয়ার চুকনগর যশোর সাতক্ষীরা মহাসড়কের

দুই পাশে, অবৈধভাবে গড়ে উঠা সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের খুলনা জোনের স্টেট আইন কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিট্রেট অন্দিতা রায়। বলেন, যশোর সাতক্ষীরা মহাসড়কের রাস্তা প্রসস্থ ও উন্নীতকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষে দু’মাস আগে সড়কের পাশে অবৈধ দখলদারদের তাদের স্থাপনাসমূহ সরিয়ে নিতে নোটিশ ও মাইর্কিং করা হয়। নির্ধারিত সময় শেষে আজ সকাল থেকে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপদ বিভাগ যশোর, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ হাফিজুর রহমান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী এ এইচ এম মাহমুদ হাসান, উপ-সহকারী মোঃ আব্দুর রাজ্জাক। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ডুমুরিয়া থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দলের উপস্থিতিতে ১টি বুলডোজার এবং বিপুল সংখ্যক শ্রমিক নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। উচ্ছেদ অভিযানে থানা পুলিশ,ফায়ার সার্ভিস,খুলনা পল্লীবিদ্যুৎ সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার জনবহুল, ট্রানজিড, ব্যস্ততম এবং বৃহৎ ব্যবসা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত চুকনগর বাজারের যশোর সাতক্ষীরা মহাসড়ক এর রাস্তার দু’পাশের প্রায় ২০,৩০, ফুট পরিমান জমি স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি অবৈধ ভাবে দখল করে। অন্তত ৪০টি এক তলা থেকে ২তলা পর্যন্ত পাঁকা ভবন নির্মাণ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসত বাড়ি গড়ে তুলেছেন । এর ফলে রাস্তা সংকুচিত হওয়ায় যান ও জনসাধারণের চলাচলে চরম দূর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। চলতি বছরের জুন মাসে সড়ক এবং জনপথ বিভাগ অবৈধ দখলদারদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে এক সপ্তাহ সময় দিয়ে নোটিশ প্রদান করেন। কিন্ত কোন দখলদার স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় গতকাল অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার অভিযান পরিচালিত হয়।

জনস্বার্থে ও ভবিষত্যের কথা চিন্তা করে সড়কটির দুই পাশে গড়ে উঠা সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে অবৈধ সকল স্থাপনা সরিয়ে নিতে মালিকদের নোটিশ করা হয়েছিল। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে যশোর সাতক্ষীরা মহাসড়ক জমি ভোগ দখল করে আসছে প্রায় অর্ধ শতাধিক ব্যক্তি। তারা অনেকে দোকান ঘর ও বসতবাড়ি তৈরী করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ভাড়া দিয়ে আয় রোজগার করছেন। এতে করে এক দিকে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অপর দিকে সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি। জনভোগান্তি নিরসন এবং সরকারি জায়গায় উদ্ধারের লক্ষে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি