২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

মাধবপুরে প্রবল বর্ষণে সোনাই সহ বিভিন্ন নদীতে ভাঙ্গন,৩টি ইউনিয়ন সহ ২০ গ্রাম প্লাবিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাধবপুর প্রতিনিধি:প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জের মাধবপুরে সোনাই সহ বিভিন্ন নদীতে ভাঙ্গনে ৩টি ইউনিয়ন সহ প্রায় ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

শনিবার (১ জুন) ভোর রাতে এই ঘটনা ঘটে। শুক্রবার রাত থেকেই ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির স্রোতে মাধবপুর উপজেলার চৌমহনী,বহড়া ,শাহ জাহানপুর ইউনিয়ন সহ প্রায় ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।আলাবক্স ও কমলানগর গ্রামের নিকট সোনাই নদীর ৩টি স্থানে ভাঙ্গন দেখা দেয়। এতে মুহূর্তের মধ্যেই আশপাশের কমলাপুর, হরিণখোলা, সিদ্ধরপুর, চৈতন্যপুর, কালিকাপুর, জয়নগর, দেবপুর, নুরুল্লাপুর, মনোহরপুর, সাতপাড়িয়া সহ প্রায় ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়।

এ ছাড়া শাহজাহান পুর ইউনিয়নের জালুয়াবাদ,নওয়াগাও,মোহনপুর,তেলানিয়াপাড়া,আন্দিউড়া ইউনিয়নের কুঠানিয়া,হরিশ্যামা সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ২ শতাধিক পুকুরের মাছ ভেসে গেছে, ৫শ হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। প্রায় অর্ধশতাধিক কাচা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মাধবপুরের স্থানীয় লোকজন জানান, হঠাৎ সোনাই নদী ভাঙ্গনে প্রায় ২ শতাধিক পুকুরের কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে।

মাধবপুর দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা মাসুদুল ইসলাম জানান, মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির নিরূপণের কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে।

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনূভা নাশতারান বলেন, প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে মাধবপুর সোনাই নদীর ভাঙ্গনে এলাকার লোকজন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি