২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

মাধবপুরে আগুনে পুড়ে ৫টি বসতঘর ছাই :১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাধবপুর প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের মাধবপুরে আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে ৫টি বসতঘর। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার বহরা ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসীর প্রচেষ্টায় পৌণে ১ ঘন্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে ওই এলাকার মাতু মিয়ার ছেলে আদম খা’র রান্না ঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এক পর্যায়ে আদম খা, দুলাল মিয়া, আলী হোসেন ও রুবেল মিয়ার ঘরে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। খবর পেয়ে মাধবপুর ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে ৫টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র পুড়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

বহরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান জানান, মহিলারা আঁখের পাতা দিয়ে রান্না করার সময় অসাবধানতাবশত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে এক এক করে ৫টি ঘর পুড়ে ছাই হয়েছে।

মাধবপুর ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ রকিবুল ইসলাম জানান, তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিরূপন করা সম্ভভ হয়নি। তবে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণ না হলে আরো ঘর পুড়ে যেতো।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি