১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

নিয়ামতপুরে ২ নং চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আ”লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী খালেকুজ্জামান তোতা।। 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ

 

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার ২ নং চন্দননগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী, নিয়ামতপুর উপজেলার আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি খালেকুজ্জামান তোতা।

 

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা খালেকুজ্জামান তোতা ছোট বেলা থেকেই পারিবারিকভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী।

 

তিনি ছাএ জীবন থেকেই আওয়ামীলিগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন।

 

১৯৮৪ সালে প্রচার সম্পাদক নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ,এরপর সাংগঠনিক সম্পাদক, তারপর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সর্বশেষ সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

 

তিনি আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র সহ সভাপতি পদে আসীন হয়ে দলীয় সকল কর্মকান্ডে সম্মুখসারীর নেতা হিসেবে বলিষ্ঠ ভাবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

 

” খালেকুজ্জামান তোতা একজন শিক্ষিত ব্যক্তি পাশাপাশি অত্যন্ত পরিশ্রমী। তিনি নৌকা প্রতীক পেলে বিপুল ভোটে জয়ী হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন ।

 

উক্ত ইউনিয়ন বাসি বলেন, ” আমাদের ইউনিয়নের সকল শ্রেনী পেশার মানুষের বিপদে আপদে এগিয়ে আসেন খালেকুজ্জামান তোতা । তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন নিবেদিত প্রানের নেতা। তিনি দলীয় মনোনয়ন এর একজন হকদার। আমরা চন্দননগর ইউনিয়ন বাসি চাই তিনি দলীয় মনোনয়ন পান”।

 

খালেকুজ্জামান তোতা জানান, আমি ছোট্ট বেলা থেকেই দেখেছি আমার বাবার আওয়ামীলীগ এর প্রতি শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা। ” সেই জন্য আমার জ্ঞান বুদ্ধি হওয়া থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে পথ চলা শুরু করি। প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সরব ভুমিকা পালন করেছি। আমাদের এমপি বাংলাদেশের খাদ্য মন্ত্রালয়ের মাননিয় মন্ত্রী বাবু সাধন চন্দ্র মজুমদার অত্যন্ত সৎ ও উন্নয়ন প্রেমী নেতা। তার কাংখিত উন্নয়ন আমার ২ নং চন্দননগর ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ও মহল্লায় ছড়িয়ে দিতে চাই। এই জন্য আমি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আমাকে দলীয় মনোনয়ন দিবে এবং আমি বিপুল ভোটের ব্যাবধানে জয়ী হয়ে ইউনিয়ন বাসীর সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার জন্য সুযোগ পাবো। এই জন্য সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করি”।

 

 

খালেকুজ্জামান তোতা নিয়ামতপুর উপজেলার একজন একনিষ্ঠ আওয়ামীলীগ এর নেতা। তিনি চন্দননগর ইউনিয়নের ৫ বারে সফল ভাবে নির্বাচিত হন। চন্দননগর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ এর একজন পুরোনো দিনের নেতা হিসেবে পরিচিত খালেকুজ্জামান তোতা ।

 

খালেকুজ্জামান তোতা চন্দননগর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ এর পক্ষে দীর্ঘ দিন যাবত কাজ করতেছেন। তিনি তার জীবনের প্রায় শুরু থেকেই এখন পযন্তু আওয়ামিলীগ হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

তিনি ১৯৮৪ সালে প্রথম গরুর গাড়ী নিয়ে ৮৬ ভোটে জয়ী হয়ে চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। উল্লেখযোগ্য পরবতিতে তিনি প্রতিক হিসেবে চাকা, গরুরগাড়ি এবং নৌকা প্রতিক নিয়ে ৫ বারে সফল ভাবে নিবাচনে জয় লাভ করেন ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি