১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জে বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধের সরঞ্জাম জব্দ ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নয়ন ঘোষ ।

 

নকল ওষুধ তৈরির কারখানার গোপন সংবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাট এলাকায় বাজিতপুর-বাহাদুর মোড়লের টোলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঔষধ তৈরীর সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। এসময় মালিককে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। অপর অভিযানে হেরোইন উদ্ধার করেছে ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের একটি দল। সাজাপ্রাপ্ত কারখানার মালিক শিবগঞ্জ উপজেলার বাজিতপুর-বাহাদুর মোড়লের টোলার মো. লায়োশের ছেলে মো. বানী ইসরাইল (৩৩)।

বুধবার রাত ১১টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত বিজিবি এ অভিযান চালায় বিজিবি সদস্যরা। এসময় বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারখানার মালিককে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে প্রেসনোটে এ তথ্য নিশ্চিত করে ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আমীর হোসেন মোল্লা জানান, সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে আলাদাভাবে ৪টি দল কানসাট, সোনামসজিদ, কিরণগঞ্জ এবং জমিনপুর এলাকায় বিজিবি অভিযান পরিচালনা করে। শিবগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব-আল-রাব্বীর উপস্থিতিতে কানসাট এলাকায় বাজিতপুর-বাহাদুর মোড়লের টোলা নামক স্থানে নকল ওষুধের কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় নকল ওষুধ তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮০ হাজার টাকা। অধিনায়ক আরও জানান, অভিযানে নকল ওষধ তৈরির কারখানার মালিক শিবগঞ্জ উপজেলার বাজিতপুর-বাহাদুর মোড়লের টোলার মো. বানী ইসরাইলকে ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে। এছাড়াও বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ বিওপি সীমান্ত পিলার ১৮৫ হতে ২০০ গজ ভেতরে তোহাখানা হতে মালিকবিহীন ১ কেজি হেরোইন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হিরোইনের মূল্য ২০ লাখ টাকা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি