১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

খাগড়াছড়িতে বিলুপ্ত প্রায় প্যাডেল রিক্সা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আবদুল জলিল,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ।

 

খাগড়াছড়িতে বিলুপ্ত প্রায় প্যাডেল চালিত রিক্সা। একসময় জেলা সদর সহ উপজেলার সড়কগুলোতে প্রতিনিয়ত চোখে পড়তো এ রিক্সাগুলো৷ রিকশার প্যাডেল ঘুরিয়ে সংসার চলত শত শত রিক্সা চালকের।

 

যান্ত্রিকতার এই যুগে পেশিশক্তির আবিষ্কার হয়েছে ইলেকট্রনিক ও সহজলভ্য যানবাহন। তারমধ্যে বর্তমানে বিদ্যুৎ ও ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সার দৌলতে হারিয়ে যাচ্ছে খাগড়াছড়ির এই পুরনো ঐতিহ্য। সময় ও টাকা বাঁচাতে এখন অটোরিক্সার উপর নির্ভরশীল যাত্রীরা৷ তবে খাগড়াছড়ির রাস্তায় এখনো মাঝে মধ্যে এসব প্যাডেল চালিত রিক্সার দেখা মিলে৷

 

শহরের অটোরিকশা চালক আবদুল আজিজ বলেন, গত ৭-৮ বছর আগেও খাগড়াছড়ি শহরে রিক্সা চালাতাম।তবে নিজের বার্ধক্য ও আধুনিকতার সাথে তাল মিলিয়ে এখন অটোরিক্সা চালাচ্ছি। মানুষ এখন রিক্সায় চড়তে চায়না। তাই একে একে হারিয়ে যাচ্ছে এ ঐতিহ্য।

 

দীঘিনালার একসময়ের প্যাডেল রিক্সা চালক মাসুদ মিয়া বলেন, মানুষ এখন অলস হয়ে গেছে। মানুষের সময় কমে গেছে। কেউ রিক্সা চড়ে দূরে কথাও যেতে চায় না। রিক্সা চালিয়ে এখন যে ভাড়া পাওয়া যায় তা দিয়ে বর্তমানে সংসার চলেনা। তাই পেশা বদলিয়ে আমি এখন দিনমজুর৷

 

বিশ্লেষকদের মতে, মানুষের মধ্যে বর্তমানে অলসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অটো চালকরা পায়ের উপর পা তুলে অটো চালায়। এতে দুর্ঘটনাও ঘটে। কিন্তু বর্তমানে শহরে যে পরিমান ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা চলাচল করে তাতে এই শহর থেকে রিক্সা এখন বিলুপ্ত প্রায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি