২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

কেশবপুরে ১৯ জন গ্রেফতার।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আজিজুর রহমান, কেশবপুর(যশোর)প্রতিনিধি:

কেশবপুরে বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত দুই নারীসহ ১৯ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের যশোর আদালতে সোপর্দ করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর থানা পুলিশ শুক্রবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মফিজুল ইসলাম নাটা (৪৮), শুকুর আলী সরদার (৫০) ও তার ছেলে রবিউল ইসলাম (২৬), পাঁজিয়া গ্রামের সোহরাব গাজী (৭২), তার ছেলে শওকত আলী (৩২), একই গ্রামের মিজানুর রহমান (৩৯), ইউসুফ আলী (৩০), বিমল দেবনাথ (৫১) ও তার স্ত্রী অঞ্জনা দেবনাথ (৪৬), ফতেপুর গ্রামের শাহিনুর রহমান (৩২), পারভিনা বেগম (৩৫), বারুইহাটি গ্রামের পলাশ হোসেন (২৭), ইমান আলী সরদার (৪৫), শাহাবুদ্দিন (৪৪), নাসির উদ্দীন (৪৬), ব্রাহ্মনডাঙ্গা গ্রামের গোলাম সরোয়ার (৫৫), গোলাম ফারুক (৬১), ব্যাসডাংগা গ্রামের হাসানুজ্জামান (৩২) ও ফয়সাল আহম্মেদ রাজুকে (২৭) গ্রেপ্তার করে।

 

 

কেশবপুর থানার ওসি বোরহান উদ্দীন বলেন, বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত ১৯ আসামিকে গ্রেপ্তার করে শনিবার দুপুরে যশোর আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি