1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রার ৪০ বনজিবী পেলেন নৌকা, জাল ও লাইফ জ্যাকেট । খুলনায় প্রথমবারের মতো ঘোষিত হলো “ঊষার আলো দুর্গাপূজা অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬”। রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার। বিলাইছড়িতে নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। কয়রায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত । খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেল গঠন  রতন মিত্র আহবায়ক ও সুমন দাস সদস্য সচিব । কেশবপুরে অভিভাবক ও কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

সাপাহারে বিয়ের প্রলোভনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২২
  • ২১৮ বার পঠিত

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর সাপাহারে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে (২৮) ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ওই নারী ৩ জানুয়ারী সোমবার নওগাঁর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-০২ এ মামলা করেন।

মামলায় নিশ্চিতপুর থ্রী-স্টার ফিলিংস্টেশনের স্বত্বাধিকারী মিলনসহ দুইজনকে আসামি করা হয়েছে। প্রধান আসামি হলেন উপজেলার নিশ্চিতপুর থ্রী-স্টার ফিলিংস্টেশনের স্বত্বাধিকারী ও মাইপুর গ্রামের মৃত ইসাহাক আলীর ছেলে মোঃ মিলন (২২)। অন্য দুই আসামি হলেন একই গ্রামের মৃত হাজী কুদ্দুস মন্ডলের ছেলে মোঃ রেজাউল (৩৬) ও মৃত তমিজ উদ্দীন মন্ডলের ছেলে মো. বারীক (৪৬)। ওই নারীর বাড়ি নওগাঁর সাপাহার উপজেলায়।

আদালতে দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রধান আসামি মিলন ওই নারীকে বিভিন্ন সময়ে চলার পথে বিভিন্ন ভাবে কু-প্রস্তাব দিতো। ওই নারী প্রধান আসামি মিলনের কু-প্রস্তাবে সাড়া না দিলে ১ নং আসামি ২ ও ৩ নং আসামির কু-পরামর্শে ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখায়। অতঃপর ২ ও ৩ নং আসামি ওই নারীকে প্রধান আসামি মিলনের সাথে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। একপর্যায়ে ওই নারী মিলনের সাথে বিয়ের প্রস্তাবে রাজী হলে ২০২১ সালের ১১ জুন শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে মিলন, রেজাউল ও বারীক একজন অপরিচিত বয়স্ক ব্যকক্তিকে মৌলভী পরিচয়ে ওই নারীর বসতবাড়ীতে নিয়ে যায়। এসময় দোয়া পড়ে রেজাউল ও বারীককে স্বাক্ষী দেখিয়ে ওই নারীর সাথে মিলনের বিবাহ সম্পন্ন হয়। ওই নারীর কাছে এভাবে বিবাহের বিশ্বাস স্থাপন করে ওই রাতে তার বাড়ীতে শারীরিক ও দৈহিক মেলামেশা করেন মামলার প্রধান আসামি মিলন। এরপর বিভিন্ন সময়ে ওই নারীর বসত বাড়ীতে এবং নজিপুরে একটি ভাড়া বাসায় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে মিলন। পরবর্তীতে ওই নারী বিয়ে রেজিষ্ট্রি করার জন্য মিলনকে তাগিদ দিলে আজ কাল বলে তালবাহানা করতে থাকে মিলন। অতঃপর ওই নারী গর্ভবতী হলে মামলার প্রধান আসামী মিলন মৌলভী দ্বারা বিবাহের বিষয়টি অস্বীকার করে এবং ওই নারীর গর্ভের সন্তান তার নয় বলে জানিয়ে দেয়। উক্ত কথা শুনে ওই নারী হতভম্ব ও দিশেহারা হয়ে পড়েন। প্রধান আসামি বিবাহের বিশ্বাস স্থাপন করে ওই নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। যার ফলে মামলার বাদীনি গর্ভবতী হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য প্রধান আসামি মিলনের খোঁজ করতে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনও বন্ধ রয়েছে।

বাদী পক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট এস এম মর্তুজা মাহাতাব উদ্দীন জানান, মামলাটি গ্রহণ করে পি,বি,আই কে তদন্ত করে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT