1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রার ৪০ বনজিবী পেলেন নৌকা, জাল ও লাইফ জ্যাকেট । খুলনায় প্রথমবারের মতো ঘোষিত হলো “ঊষার আলো দুর্গাপূজা অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬”। রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার। বিলাইছড়িতে নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। কয়রায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত । খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেল গঠন  রতন মিত্র আহবায়ক ও সুমন দাস সদস্য সচিব । কেশবপুরে অভিভাবক ও কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

লালমনিরহাটে ধরলা নদীর ঝুঁকিপূর্ণ ওয়াপদার বাঁধ; টেকসই বাঁধ নির্মানের দাবি।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শনিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৯৩ বার পঠিত

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

লালমনিরহাটে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে ধরলা নদীর ওয়াপদা বাজার-বাড়ীবনমালী পর্যন্ত ওয়াপদার বাঁধ। একদিকে, ধরলা নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে বাড়ছে অতিরিক্ত পানি। অন্যদিকে, নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ ওয়াপদা বাঁধ।

বর্তমানে এ দুই কারণে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নবাসীর। কুলাঘাট এলাকার ৪টি গ্রামের ধরলা নদীর কয়েক কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ রয়েছে। এ কারণে প্লাবনের আশঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয়রা।

উত্তরের এই জনপদের মানুষকে বাঁচাতে টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি এবং প্রয়োজনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।

জানা যায়, লালমনিরহাট সদরের কুলাঘাটের বাড়ীবনমালী, চরকুলাঘাট, চর সোনাইকাজি, চরখাটামারী ধরলা নদী ভাঙ্গন এলাকা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ধরলা নদীর ওয়াপদা বাজার-বাড়ীবনমালা পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার ওয়াপদা বাঁধ রয়েছে।

লালমনিরহাট সদরের কুলাঘাট ইউনিয়নের মহর খলিফার বাড়ি (ওয়াবদা বাজার), চানমিয়ার বাড়ি, অহেদ আলীর বাড়ি, জয়নাল মাস্টারের বাড়ি (ঝগড়ির বাজার), জুরান আলীর বাড়ি, মহর মিয়ার বাড়ি (উত্তর খাটামারী), রুস্তম আলীর বাড়ি, নুরবারিকের বাড়ি, দুলাল হোসেনের বাড়ি, (চরখাটামারী মামা-ভাগিনা বাজার) সবচেয়ে বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ।

জলবায়ু পরিবর্তন ও ভৌগোলিক কারণে দুর্যোগের শিকার ধরলা পাড়ের মানুষ। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ওয়াপদা বাঁধ এলাকার মানুষের চরম বিপর্যয়ের মুখে ফেলে দিচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদা বাঁধে নিয়মিত মাটির কাজ না হওয়ায় বাঁধের বেশির ভাগ ধসে গেছে। বর্তমানে নাজুক আকার ধারণ করেছে এ বাঁধটি।

এর আগে ২০১৭ সালের ওয়াপদা বাঁধ ভেঙে উক্ত এলাকা প্লাবিত হয়। নষ্ট হয় লাখ লাখ টাকার মৎস্য ও জমির ফসল।
বন্যার পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মোঃ আসাদুল হক, মোঃ আবু সাঈদ মোল্লা, মোঃ আশরাফুল হক বলেন, ধরলা নদীর তলদেশ ভরাট হওয়ার সঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদা বাঁধ যদি উঁচু করা হতো, তাহলে পানি লোকালয়ের ঢুকতে পারত না। তাই বাঁধের জরুরী সংস্কার দাবি করছি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT