1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রার ৪০ বনজিবী পেলেন নৌকা, জাল ও লাইফ জ্যাকেট । খুলনায় প্রথমবারের মতো ঘোষিত হলো “ঊষার আলো দুর্গাপূজা অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬”। রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার। বিলাইছড়িতে নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। কয়রায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত । খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেল গঠন  রতন মিত্র আহবায়ক ও সুমন দাস সদস্য সচিব । কেশবপুরে অভিভাবক ও কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

ফেনীতে স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী নাদিয়ার যাবজ্জীবন কারাদন্ড।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৫৯ বার পঠিত

ইউসুফ মুন্সী,ফেনী প্রতিনিধিঃ

ফেনীর আলোচিত ব্যবসায়ী কায়সার মাহমুদ হত্যা মামলার একমাত্র আসামী তার স্ত্রী শাহনাজ নাদিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জেলা ও দায়রা জজ ড.বেগম জেবুন্নেছা এ রায় প্রদান করেন। এতে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ছাড়াও আসামীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও একমাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

 

গত বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হাফেজ আহম্মদ জানান, এ মামলায় বিস্তারিত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়েছে। আসামীপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আহসান কবির বেঙ্গল।গত ১৫ সেপ্টেম্বর কায়সার হত্যা মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারী এ মামলার দ্বিতীয় তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ কামরুল ইসলাম খান ও লাশ বহনকারী কন্সটেবল আবদুল মতিনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এ মামলার বাদী প্রফেসর আবুল খায়ের, ম্যাজিস্ট্রেট ও তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। কায়সার হত্যা মামলায় ২৯ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

উল্লেখ্য ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রামপুর ভূইয়া বাড়ি সড়কস্থ নজির সওদাগর বাড়ির প্রফেসর আবুল খায়েরের ছেলে কায়সার মাহমুদের সাথে আনন্দপুর ইউনিয়নের বন্দুয়া দৌলতপুর গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে শাহনাজ নাদিয়ার সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েকমাস পর তাদের মধ্যে মনমালিন্য দেখা দেয়। ২০১৪ সালের ২৫ মার্চ শাহনাজ নাদিয়া কুমিল্লা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন লতিফ টাওয়ারে তার বাবার বাসায় বেড়াতে যায়। ১১ এপ্রিল বিকালে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর জন্য কায়সারদের বাসায় আসে। কাওসার সহ নাদিয়া ডাক্তার দেখানোর জন্য বাসা থেকে বের হয়। পরে আর কাওসারের বাসায় ফেরা হয়নি। ওইদিন রাতে ফালাহিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন কবরস্থানের পাশে রাত সাড়ে ৯ টার দিকে কাওসারকে দূর্বৃত্তরা উপযুপরি ছুরির আঘাত করে পালিয়ে যায়। তখন তার সাথে তার স্ত্রী নাদিয়াও ছিল। পরে তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

 

ময়নাতদন্ত শেষে ১২ এপ্রিল দুপুরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। ওইদিন রাতে তার পিতা প্রফেসর আবুল খায়ের বাদী হয়ে শাহনাজ নাদিয়া ও তাদের বাড়ির মোঃ হারুনকে আসামী করে মামলা দায়ের করে। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ আলমগীর হোসেন বাসা থেকে শাহনাজ নাদিয়াকে গ্রেফতার করে ১৩ এপ্রিল বিকালে আদালতে ১৬৪ ধারা জবানবন্দী নেয়। শাহনাজ নাদিয়া ১৬৪ ধারা জবানবন্দীতে কায়সারকে হত্যার কথা স্বীকার করে। সে কায়সারকে একাই হত্যা করেছে বলে আদালতে স্বীকারোক্তীমূলক জবানবন্দী দেয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ আলমগীর হোসেন চাঁদপুর বদলি হওয়াতে ২০১৪ সালের ৭ জুন মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় এসআই কামরুল ইসলামকে।

এ মামলার অপর আসামী বন্দুয়া দৌলতপুর গ্রামের মৃত মোঃ হাফেজের ছেলে মোঃ হারুন একই বছর আগষ্ট মাসে দূর্বৃত্তদের হাতে খুন হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ হারুন ও নাদিয়াকে অভিযুক্ত করে ২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করে। বাদী প্রফেসর আবুল খায়ের আদালতে আপত্তি জানালে পুনঃতদন্ত করার নির্দেশ দেন আদালত। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কামরুল ইসলাম নাদিয়াকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করে।সে প্রেক্ষিতে আজ আদালত এই রায় দেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT