1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রার ৪০ বনজিবী পেলেন নৌকা, জাল ও লাইফ জ্যাকেট । খুলনায় প্রথমবারের মতো ঘোষিত হলো “ঊষার আলো দুর্গাপূজা অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬”। রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার। বিলাইছড়িতে নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। কয়রায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত । খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেল গঠন  রতন মিত্র আহবায়ক ও সুমন দাস সদস্য সচিব । কেশবপুরে অভিভাবক ও কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

পাহাড়ে সুপেয় পানি পেতে ডিপ টিউবওয়েলে বিকল্প নেই।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০২১
  • ২৪৫ বার পঠিত

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি)প্রতিনিধি-।

পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া কোন প্রাণী বাঁচতে পারে না। তাই পাহাড়ে সুপেয় পানি পেতে ডিপ-টিউবয়েলের বিকল্প নেই বলে জানান স্থানীয় পাড়াবাসী,জন প্রতিনিধি,জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সহ ভুক্তভোগী সকলেই। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক ২৫ বছরের এক গৃহীনি বলেন,আগে আমাদেরকে রিংওয়েল দেওয়া হয়ছিল,তা ভরা মৌসুমে পানির সুবিধা পেলেও কিন্ত শুকনো মৌসুমে একেবারেই পান করা ও ব্যবহার করা পানি পর্যন্ত পাওয়া যায় না বলে জানান। তিনি আরও বলেন,আমরা বর্তমানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল থেকে ১ টি ডিপটিওবয়েল পেয়েছি, তা আমরা এখন শুকনো মৌসুম থেকে শুরু করে সব মৌসুমে অনবরত পান করার পানি সংগ্রহ করছি এবং গোসল ও অন্যান্য কাজেও ব্যবহার করছি। তিনি আরো জানান,ছড়ার পানি উৎস হতে আমরা অনেক দূরে।তাছাড়া গ্রীষ্মকালে খাল, বিল, নদ-নদী, ছড়া- ঝর্ণা,কুয়ার পানিও শুকিয়ে যায়, যার ফলে পান করার মত কোন পানি পাওয়া যায় না,দূর হতে সংগ্রহ করতে হলে কয়েক ঘণ্টা হেটে গিয়ে লাইনে দাড়িয়ে থাকতে হয়। এইসব বিষয়ে বিলাইছড়ি উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বা পাবলিক হেল্থের দায়িত্ব প্রাপ্ত ফিল্ড অফিসার মোঃ আব্দুল জলিল বলেন, উপজেলায় ৪ টি ইউনিয়নে মধ্যে বড়থলি বাদে ইতি পূর্বে ৩ টি ইউনিয়নে বিলাইছড়ি,কেংড়াছড়ি ও ফারয়া ইউনিয়নে দূর্গম এলাকায় ৪০ টি ডিপ টিউবয়েল করা হয়েছে। বর্তমানে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের ৭৮ টি চলমান রয়েছে বলে জানান। সবকটি ডিপ টিওবয়েলের গভীরতা ২২০ থেকে ৪০০ ফুট গভীরতার মধ্যেই করা যায়। বেশ কয়েকটা লেয়ার পেলেই বসানো সম্ভব বলে তিনি জানান। তিনি আরো জানান,বর্তমানে পানির স্তর নীচে নামায় রিংওয়েল দিয়ে ৫০-৬০ গভীরতায় সবসময় পানি পাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।তাছাড়া তিনি কাপ্তাই লেকের পানি শুকিয়ে যায় বলেও জানান। তাই পাহাড়ে সুপেয় পানি পেতে হলে ডিপ টিউবওয়েলের একমাত্র ভরসা। উল্লেখ্য যে, বিগত ২০১৬-২০১৭ সালে সিআইপিডি এনজিও সংস্থা আলোকিত প্রকল্প নামে ইউএনডিপি’র অর্থায়নে ৩ নং ফারুয়া ইউনিয়নে আলেখ্যং এলাকায় পাহাড়ে সুপেয় পানি পেতে পাথর কেটে ১৩ টি ডিপটিউবয়েল করায় এলাকাবাসীর ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছেন। তাই পাহাড়ে সুপেয় পানি পেতে জেলা ও উপজেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডসহ সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন জিও,এনজিও কাজ করে যাচ্ছে।তাই দূর্গম এলাকায় এইসব প্রকল্প চাহিদা অনুযায়ী কোন আত্নীয়করণ না করে যাচাই – বাছাই করে হাতে নিলে আরো বেশি এলাবাসী সুগম হবে বলে জানা যায়। বিলাইছড়ি প্রতিনিধি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT