1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রার ৪০ বনজিবী পেলেন নৌকা, জাল ও লাইফ জ্যাকেট । খুলনায় প্রথমবারের মতো ঘোষিত হলো “ঊষার আলো দুর্গাপূজা অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬”। রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার। বিলাইছড়িতে নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। কয়রায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত । খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেল গঠন  রতন মিত্র আহবায়ক ও সুমন দাস সদস্য সচিব । কেশবপুরে অভিভাবক ও কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

সুন্দরবনে ৩ মাস পর্যটক প্রবেশ ও মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ১ জুন, ২০২২
  • ২১৬ বার পঠিত

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ
বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে বুধবার থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এই ৩ মাস সুন্দরবনের সব নদ-নদী ও খালে মাছ আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বন বিভাগ। এই ৩মাস মাছের প্রজনন মৌসুমে সব ধরনের মাছ আহরণ বন্ধের পাশাপশি সুন্দরবনে পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ। এ জন্য সুন্দরবনে প্রবেশের জন্য সব পাস ও পারমিট দেওয়া বন্ধ রেখেছে বন বিভাগ।

সুন্দরবনে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ২০১৯ সাল থেকে বন বিভাগ প্রতিবছর ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এখানের সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ থাকে। সুন্দরবনে গত বছর দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও এ বছর তা আরো এক মাস বাড়ানো হয়েছে। এই সময়ে সুন্দরবনে বন্ধ করা হয়েছে সব ধরণের পর্যটকের প্রবেশ।
সুন্দরবনের ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশ অংশে পানির পরিমান ১৮ শত ৭৪.১ বর্গকিলোমিটার। যা সমগ্র সুন্দরবনের আয়তনের ৩১.১৫ ভাগ। সুন্দরবনের পানির ভাগকে বলা হয় মৎস্য সম্পদের ভান্ডার। সুন্দরবনের পানিভাগে ২১০ প্রজাতির সাদামাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি, ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া, ৪৩ প্রজাতির মালাস্কা ও ১ প্রজাতির লবস্টার রয়েছে। জুন থেকে আগস্ট এই তিন মাস মাছের প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবনের নদী খালে থাকা বেশির ভাগ মাছের ডিম থেকে জন্ম নিয়ে থাকে মাছ। যার ফলে এ সময় মাছ ধরা বন্ধ থাকলে সুন্দরবনের নদী খালে যেমন মাছ বৃদ্ধি পাবে, তেমনি অন্যান্য প্রাণি ও উদ্ভিদসহ সব জীবের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে সুন্দরবন বিভাগ।

খুলনা পশ্চিম সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মিহীর কুমার দে জানান, সুন্দরবনে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্যানেলের (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৯ সাল থেকে সুন্দরবন বন বিভাগ এই বনে প্রতিবছর ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত গোট সুন্দরবনের সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ থাকে। এবারও মৎস্য বিভাগের সাথে সমন্নয় করে এক মাস বাড়িয়ে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত করে বন মন্ত্রণালয়। এই তিন মাস সমগ্র সুন্দরবনের সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধের পাশাপাশি পর্যটক প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এদিকে পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িতরা বলছেন তিনমাস পর্যটক প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকলে ক্ষতিগ্রস্থ হবে পর্যটন খাত এবং সংশ্লিষ্টরা।

কয়রা,খুলনা প্রতিনিধি
তারিখঃ- ০১/০৬/২২ ইং।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT