1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রার ৪০ বনজিবী পেলেন নৌকা, জাল ও লাইফ জ্যাকেট । খুলনায় প্রথমবারের মতো ঘোষিত হলো “ঊষার আলো দুর্গাপূজা অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬”। রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার। বিলাইছড়িতে নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। কয়রায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত । খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেল গঠন  রতন মিত্র আহবায়ক ও সুমন দাস সদস্য সচিব । কেশবপুরে অভিভাবক ও কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

লালমনিরহাটে দিনে কড়া রোদ, রাতে শীতের কাঁপন।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৯১ বার পঠিত

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

লালমনিরহাটে শীত জেঁকে বসতে শুরু করেছে। দিনের বেলা কড়া রোদের কারণে শীত অনুভূত না হলেও বিকাল হতেই উত্তরের হিমেল হাওয়া বইতে থাকায় রাত বাড়তেই শীতে কাবু হচ্ছে লালমনিরহাট জেলার শীতার্ত মানুষ। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারদিক। কনকনে শীতল হাওয়ার কারণে রাত ৯টার মধ্যেই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে হাট-বাজার।

রাজারহাট আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) লালমনিরহাট জেলায় দেশের সর্বনিম্ন ৬ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

জানা যায়, লালমনিরহাটসহ উত্তরের কয়েকটি জেলা হিমালয়ের খুব কাছে অবস্থিত। উত্তরের সাইবেরিয়া থেকে কনকনে শীতল হাওয়া দক্ষিণে এসে হিমালয় পর্বতে ধাক্কা লাগছে। হিমালয়ের বরফে ধাক্কা লেগে সেই বাতাস দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে উত্তর দিক থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। সে কারণেই দেশের অন্যান্য জেলার চেয়ে লালমনিরহাটসহ আশপাশের কয়েকটি জেলায় শীতের তীব্রতা বেশি থাকে।

এদিকে দিনে কড়া রোদ আর রাতের দিকে প্রচন্ড শীতের কারণে মাথাচারা দিয়ে উঠেছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগ। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল মুখী হচ্ছে। এ কারণে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ।

সিভিল সার্জন ডাঃ নির্মলেন্দু রায় বলেন, শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেকে হাসপাতালে আসছেন। তবে তুলনামূলকভাবে ভালো থাকায় তাদের অধিকাংশকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে না। বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিয়ে তারা বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। দিনে রোদ ও রাতে বেশি ঠান্ডা থাকায় শিশু ও বৃদ্ধদের ব্যাপারে আরও যত্নশীল হতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT