1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে এমপি মিলন, দিলেন পাশে থাকার আশ্বাস। কেশবপুরে বৃহত্তর পাঁজিয়া সার্বজনীন পূজা মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে বস্ত্র বিতরণ। শারদীয় দুর্গোৎসবে খুলনা জেলা যুব ঐক্য পরিষদ ও ছাত্র ঐক্য পরিষদের নববস্ত্র বিতরণ। কেশবপুরের হাসানপুর ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে শাড়ি বিতরণ। কয়রায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শণ করলেন মনিরুল হাসান বাপ্পী । কয়রার ৪০ বনজিবী পেলেন নৌকা, জাল ও লাইফ জ্যাকেট । খুলনায় প্রথমবারের মতো ঘোষিত হলো “ঊষার আলো দুর্গাপূজা অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬”। রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার।

লালমনিরহাটের একরামুল হকের কমলা ও মাল্টা বাগান পরিদর্শন করলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. মতিয়ার রহমান।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শনিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২০৪ বার পঠিত

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের হাড়ীভাঙ্গায় অবস্থিত একরামুল হকের কমলা ও মাল্টা বাগান পরিদর্শনে গিয়ে ঘুরে দেখলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও লালমনিরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. মতিয়ার রহমান।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের হাড়ীভাঙ্গা এলাকায় কমলা ও মাল্টা এবং পেয়ারা চাষ কার্যক্রম ঘুরে দেখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও লালমনিরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. মতিয়ার রহমান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক ও ৫নং হারাটি ইউনিয়ন পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান সিরাজুল হক খন্দকার রানা প্রমুখ।

মোঃ একরামুল হকের ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রায় ৬একর জমিতে লাগানো কমলা ও মাল্টা এবং পেয়ারা গাছের বাগানটি লালমনিরহাট জেলার উল্লেখযোগ্য একটি কমলা ও মাল্টা এবং পেয়ারা বাগান। এ বাগানে সবুজ রঙের বারি জাতের মাল্টার গাছ আছে ২হাজার ৮শতটি, দার্জিলিংয়ের কমলার গাছ আছে ৪শতটি, চাইনিজ জাতের কমলার গাছ আছে ২শতটি এবং বর্ষাকালীন থাই সেভেন ও বর্ষাকালীন থাই ফাইভ জাতের পেয়ারা গাছ আছে ২হাজারটি। এ বছর প্রায় প্রতিটি গাছে কমলা ও মাল্টা ফল ধরেছে। বাগান থেকে লালমনিরহাটসহ দেশের বিভিন্ন জায়গার ব্যবসায়ীরা কমলা ও মাল্টা ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন। এই বাগানের কমলা ও মাল্টা আকারে এবং স্বাদে উন্নত হওয়ায় জেলাব্যাপী ব্যাপক চাহিদা বলে জানা গেছে।

মাল্টা বাগান পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও লালমনিরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. মতিয়ার রহমান বলেন, কমলা ও মাল্টা এবং পেয়ারা চাষ করা খুব ভালো উদ্যোগ। জেলায় এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। একরামুল হককে অনুসরন করে কমলা ও মাল্টা চাষে ব্যাপক সফলতা অর্জন সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, একরামুল সফলভাবে সুস্বাদু মিষ্টি ও রসালো কমলা ও মাল্টা চাষ করে রীতিমতো হৈ চৈ ফেলে দিয়েছে। সবার দৃষ্টি এখন কমলা ও মাল্টা বাগানের দিকে।

উল্লেখ্য যে, একরামুল হক ৬একরের বাগানের পাশাপাশি নিজ বাড়ির ৪০শতাংশ জমিতে মাল্টার বাগান করেছে। রংপুর ও মিটাপুকুরেও জমি লিজ নিয়ে বাগান ও নার্সারি করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT