1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রার ৪০ বনজিবী পেলেন নৌকা, জাল ও লাইফ জ্যাকেট । খুলনায় প্রথমবারের মতো ঘোষিত হলো “ঊষার আলো দুর্গাপূজা অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬”। রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার। বিলাইছড়িতে নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। কয়রায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত । খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেল গঠন  রতন মিত্র আহবায়ক ও সুমন দাস সদস্য সচিব । কেশবপুরে অভিভাবক ও কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত, ভোগান্তিতে বন্যাকবলিত মানুষ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৯৬ বার পঠিত

ইমরান হোসাইন, সিরাজগঞ্জ:

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছে বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকার মানুষ।

 

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজ রিডার আব্দুল লতিফ জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধ হার্ড পয়েন্টে ০৮ সেন্টিমিটার বেড়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিপৎসীমার ৫৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং কাজিপুরের মেঘাই ঘাট পয়েন্টে ০৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

 

সিরাজগঞ্জ জেলায় যমুনা নদীর সবগুলো পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় এবং অভ্যন্তরীণ নদ-নদী পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালী উপজেলার নদী তীরবর্তী নিমাঞ্চল ও চরাঞ্চলসহ জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে মানবতার সাথে জীবন-যাপন করেছে প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ।

 

একই সঙ্গে নদী তীরবর্তী এলাকায় নদী ভাঙনের আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে নদীপাড়ের মানুষ। এরই মধ্যে নদী ভাঙনে অনেক পরিবারের ঘরবাড়ি, বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। একটানা বন্যার কারণে অনেক পরিবার ক্ষেতের ফসল ও গবাদি পশুসহ সহায়-সম্বল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

 

এদিকে, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান, বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। খাদ্য সামগ্রিক মজুদ আছে। চাল, ডাল, শুকনো খাবার প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন উপজেলায় খাদ্যসামগ্রী বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।###

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT