1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কালীগঞ্জে মেয়ের জামাইয়ের কুড়ালের কোপে শ্বশুর নিহত, থানায় আত্মসমর্পণ। কেশবপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা খোকন-এঁর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন। কেশবপুরে শাহেদা-জবেদ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে জার্সি বিতরণ। কেশবপুরে চারুপীঠের শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র বিতরণ। যশোরের বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে চিরঞ্জীব নজরুল শীর্ষক আলোচনা। ক্ষমতা নয়, সেবাই আমার মূল লক্ষ্য’—সাদিপুরে চতুর্থ দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ। কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের দাবী । উচ্চ বেতনে চাকরির নামে ১৭ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ। পিবিআই খুলনার অভিযানে প্র*তারক চক্রের -১ সদস্য গ্রেফতার। কালীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ, থানায় লিখিত অভিযোগ। উন্নয়নের নাগরিক অঙ্গীকার ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে সাদীপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে মেয়র প্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদের গণসংযোগ।

ফিলিপের পরিবারের অভিযোগ: টাকার জন্য খুন করেছে মাদক গ্যাং গ্রুপ

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৯
  • ২৩১ বার পঠিত

মাধবপুর প্রতিনিধি।।হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা বাগান ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ২০ নং এলাকায় ফিলিপ কর্মকারকে টাকার জন্য এলাকার চিহিত চোরাকারবারিরা তাকে খুন করেছে । এমন অভিযোগ করে আসছেন নিহত ফিলিপের পরিবার।

ফিলিপের হত্যাকান্ডে যারা জড়িত তারা ২০ নং সীমান্তের ত্রাস ও চিহিত মাদক চোরাকারবারি। তাদের ভয়ে স্থানীয় বাসিন্দরা আতংকে দিন কাটায়। মূলত ফিলিপের স্ত্রী চিকিৎসার ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিতেই ফিলিপকে পরিকল্পপিতভাবে হত্যা করেছে চিহিত গ্রুপটি।

নিহত ফিলিপের শ্বশুর চিন্তন তন্তবাই অভিযোগ করে বলেন তার গর্ভবতী মেয়ে ফিলিপের স্ত্রী চিকিৎসার জন্য জামাতা ফিলিপকে গত ৮ আগস্ট সকালে ৫০ হাজার টাকা দেন। টাকা দেওয়ার ঘটনাটি ওই এলাকার চিহিত চোরাকারবারি ত্রাস গ্যাং টি জেনে যায় । টাকা নেওয়ার মতলবে ওই দিন দুপুরে ফিলিপকে নিয়ে গ্যাং দলের এক সদস্যর বাড়িতে মদের আসর বসানো হয়।

এর পর ৮ আগস্ট ওই রাতে ২০ নং ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা কচু বাড়ি নামক স্থানে ফিলিপকে চিহ্নিত ত্রাস গ্রুপটি পিটিয়ে হত্যা করে তার কাজ থেকে ৫০ হাজার টাকা লুট করে নেয়। পরে ওই দিন রাতেই ফিলিপের মরদেহ তার বাড়ির সামনে কোন রকমে ঝুলিয়ে রেখে অপরাধীরা পালিয়ে যায়। ঘটনার পর ওই গ্রুপের কেউ ফিলিপকে দেখতে আসেনি । অনেকেই এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছে।

ফিলিপের পরিবারের দাবি ওই চিহিক গ্রুপটিকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ফিলিপ হত্যার রহস্য খুব সহজেই উন্মেচিত হবে।

ফিলিপের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই রাকিবুল হাসান বলেন, সব কিছু মাথায় রেখে মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে ।

ময়নাতদন্তে ডাক্তারী প্রতিবেদন পেলে মামলা তদন্তে আরো সহজ হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT