1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রার ৪০ বনজিবী পেলেন নৌকা, জাল ও লাইফ জ্যাকেট । খুলনায় প্রথমবারের মতো ঘোষিত হলো “ঊষার আলো দুর্গাপূজা অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬”। রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার। বিলাইছড়িতে নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। কয়রায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত । খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেল গঠন  রতন মিত্র আহবায়ক ও সুমন দাস সদস্য সচিব । কেশবপুরে অভিভাবক ও কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

গৃহহীন সুবণার ভাগ্যে জোটেনি প্রধানমন্ত্রীর ঘর।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ২১৬ বার পঠিত

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি :

কোটচাঁদপুর ব্রিজঘাট হালদার পাড়ার বাসিন্দা হত দরিদ্র বিধবা সুবণা কমকারের কপালে আজও জোটেনি গৃহহীন হতদরিদ্রদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর। এলাকার জনপ্রতিনিধি, উপজেলার সরকারি কর্মকতা সবারকাছে দু বছর যাবত একাধিকবার ধর্ণা দিয়ে ও তার কপালে জোটেনি একটি নিরাপদ আশ্রয়ের ঘর। আইডি কাড অনুযায়ী সুবর্ণা কর্মকারের বয়স ৭৫ বছর। কাজ করার মতো শক্তি সামর্থ কোনটাই তার নেই। স্বামী নিমাই কর্মকার ১২ বছর আগেই মারা গেছে,তিন ছেলে জীবিত থাকলেও কোন ছেলে তার দেখাশোনা করে না। স্বামীর রেখে যাওয়া ব্রিজঘাট হালদার পাড়ায় ৩ শতক জমিতে জীর্ণ একটি কুঠিরে থাকেন সুবর্ণা কমকার। খোজখবর নেবার জন্য যেয়ে দেখা যায় জরাজীর্ণ টিনের চালার নিচে বসে আছেন বৃদ্ধা। সামনে যেতেই তিনি করুর সুরে বললেন বাবা আমার একটা সরকারি ঘর করে দিবা, আমি খুব কষ্টে আছি। বৃষ্টি সময় ঘরে থকা যায় না, টিন সব ফুটো হয়ে গেছে, যে দিন রাতে ঝড় বৃষ্টি হয় সে দিন সারারাত ঘুমাতে পারি না বসেই রাত কাটতে হয়। ঘরের জন্য কত মেম্বর চেয়ারম্যানের কাছে গেলাম, উপজেলা অফিসে গেলাম কেউ আমার একটা ঘরের ব্যবস্থা করে দিলনা। সবাই বলে সময় হলেই হবে। আর কত সময় হলে আমি ঘর পাব বাবা আমার থেকেও যারা অনেক ভালো আছে তারা পেল শুধু আমি পেলাম না। রাতে যদি একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারতাম তাহলে আর কোন কষ্ট থাকত না। ৩ ছেলে থাকলেও কেউ আমার দেখেনা খোঁজখবর নেয় না,এ কথা গুলো বলতে বলতে তিনি হাত দিয়ে চোখের জল মুছলেন। ভাঙা ঘরের দুয়ারে বসে এভাবেই মাঝে মাঝে কাদেন আর প্রলাপ বকেন। এ বিষয় নিয়ে মোবাইলে কথা হয় উপজেলা চেয়ারম্যন ও আওয়ামীলীগ সভাপতি শরিফুননেছা মিকির সঙ্গে। তিনি জানান এখন শুধু ভূমিহীনদের গৃহ নির্মান প্রকল্প চালু আছে, এবং এলাকায় এর কাজও চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT