1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রার ৪০ বনজিবী পেলেন নৌকা, জাল ও লাইফ জ্যাকেট । খুলনায় প্রথমবারের মতো ঘোষিত হলো “ঊষার আলো দুর্গাপূজা অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬”। রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার। বিলাইছড়িতে নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। কয়রায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত । খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেল গঠন  রতন মিত্র আহবায়ক ও সুমন দাস সদস্য সচিব । কেশবপুরে অভিভাবক ও কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

কেশবপুরে আপারভদ্রার ক্রসবাঁধ নির্মাণের ৭দিনেই ভেঙে নদীতে বিলীন জলাবদ্ধতার আশঙ্কা, মেরামতের উদ্যোগ নেই।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : রবিবার, ৮ মে, ২০২২
  • ২৩৫ বার পঠিত

আজিজুর রহমান,কেশবপুর(যশোর):
কেশবপুরে ঠিকাদারের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে আপারভদ্রা নদীর মুখের ক্রসবাঁধ নির্মাণের ৫/৭ দিন পরেই তা ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বাঁধ দিয়ে ১৫ দিন ধরে নদীতে পলি ঢুকলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবহেলায় আজও মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এরফলে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে সদ্য খনন করা নদী পলিতে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। জলাবদ্ধতার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন নদী, খাল খনন প্রকল্পের সুফল বি ত এ জনপদের লক্ষাধিক মানুষ। পলি ঠেকাতে বাঁধটি দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসি।জানাগেছে, ৮০’র দশকের পর থেকে দক্ষিণ পশ্চিমা লের আপারভদ্র, হরিহর ও বুড়িভদ্রা নদী পলিতে ভরাট হয়ে মরতে শুরু করে। যার কারণে কেশবপুর শহরসহ মনিরামপুর উপজেলা অধিকাংশ এলাকায় প্রতি বর্ষা মৌসুমে দেখা দিত স্থায়ী জলাবদ্ধতা। এ সমস্যা নিরসনে উপজেলার কাশিমপুরে আপারভদ্রা নদীর মুখে প্রতিবছর সাময়িক ক্রসবাঁধ দেয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ফলে কেশবপুর শহর জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়। এরপর থেকে প্রতি বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে এপ্রিলের মধ্যে ওই স্থানে ক্রসবাঁধ দেয়া এবং জুনের শেষের দিকে তা অপসারণ করার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। নদী রক্ষায় ধারাবাহিকভাবে প্রকল্পটি চলমান রয়েছে। ২০১৮ সালে ৩ বছর মেয়াদে কেশবপুরের আপারভদ্রা, হরিহর, বুড়িভদ্রা নদীসহ এর সংযোগ খালগুলো প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে খনন করা হয়। পলি ঠেকাতে প্রতি বছরের ন্যায় আপারভদ্রা নদীর মুখের ক্রসবাঁধের নির্মাণ কাজ ১৫ এপ্রিল ঠিকাদার সম্পন্ন করে। ৫/৭ দিন যেতে না যেতেই বাঁধটি ভেঙে যায়। দীর্ঘ ১৫ দিনেও পানি উন্নয়ন বোর্ড ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামতে কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।পাউবো’র অফিস জানায়, কাশিমপুরে আপারভদ্রার মুখে ক্রসবাঁধ দেয়ার জেন্য ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া। ৩০ এপ্রিলের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন করার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয় যশোরের ঠিকাদার আনন্দ কুমারকে। তিনি ১ এপ্রিল কাজ শুরু করে ১৫ এপ্রিল শেষ করেন। জোয়ারের পানির চাপে বাঁধটি ভেঙে যায়।ঠিকাদার আনন্দ কুমার বলেন, বাঁধটি ভেঙে যাওয়ায় তিনি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। ঈদের কারণে বাঁধের নির্মাণ কাজ বন্ধ ছিল। ২/৩ দিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে। কাশিমপুর গ্রামের কৃষক শামিম হোসেন বলেন, ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত সাগরের পলি নদীতে আসা শুরু হয়। ওই ঠিকাদার টেকসই পাইলিং ও পরিমান মত পলিব্যগ ব্যবহার না করায় বাঁধটি ভেঙে গেছে। দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু না হওয়ায় জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মুন্সি আছাদুল্লাহ বলেন, বাঁধটি ভেঙে যাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঠিকাদারকে বাঁধটি দ্রুত নির্মাণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঠিকাদার মেরামতের কাজ করছে। বর্তমান আমি ছুটিতে আছি।বিস্তারিত জনতে ঠিকাদারের সাথে কথা বলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT