২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

৮ দিন আগে যাবে মালদ্বীপে সতর্ক থাকবে বসুন্ধরা কিংস

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ক্রীড়া প্রতিবেদক: এএফসি কাপে ভালো করার লক্ষ্যে জোর প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছে বসুন্ধরা কিংস। ম্যাচ শুরুর আট দিন আগে মালদ্বীপে যাওয়ার পরিকল্পনা সাজিয়েছে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচগুলো হবে ২৩, ২৬, ২৯ অক্টোবর এবং ১ ও ৪ নভেম্বর। মাঠে নামার আগে মালেতে সফরকারীদের করোনা পরীক্ষা করা হবে। সেই পরীক্ষা নিয়ে আগাম শঙ্কায় বসুন্ধরা। 

স্বাগতিক দুই ক্লাব টিসি স্পোর্টস ও মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন আছে একই গ্রুপে। তারা বসুন্ধরা ফুটবলারদের করোনা রিপোর্ট নিয়ে ছলচাতুরীর আশ্রয় নিতে পারে বলে বসুন্ধরা কর্মকর্তাদের শঙ্কা। অতীতে মালদ্বীপে এএফসি কাপ খেলতে গিয়ে অভিজ্ঞতা ভালো হয়নি আবাহনী লিমিটেডের। তাই করোনা রিপোর্টে গরমিল মনে হলে এএফসিকে অবহিত করার মতো পর্যাপ্ত সময় হাতে রাখার উদ্দেশ্যে দলকে ১৫ অক্টোবর মালেতে পাঠাতে চান কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান। তাঁর কথা, ‘স্থানীয়দের করোনা রিপোর্ট নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হলে, আমরা যেন অগোচরে নিজেদের উদ্যোগে বা এএফসিকে অবগত করে তাদের মাধ্যমে পরীক্ষা করাতে পারি। সে জন্য আট দিন আগে দলকে মালেতে পাঠানোর পরিকল্পনা সাজিয়েছি আমরা।’ 

অতিথি দলের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করে স্থানীয় ক্লাবই। এ ক্ষেত্রে সফরকারী দলকে রাজধানী মানে শহরের বাইরে রেখে সমুদ্রপথে স্পিডবোট এনে খেলানোর ব্যবস্থা করে মালদ্বীপ ক্লাবগুলো। সেই সুযোগও রাখছে না বসুন্ধরা। লিজ উদ্যোগে মাঠের কাছাকাছি হোটেল খোঁজা হচ্ছে। খেলোয়ার, কোচ, কর্মকর্তাদের জন্য ৫০ টি কক্ষ নিতে চায় বসুন্ধরা। 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি