২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

হবিগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী এনা পরিবহনে ৩য় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সুপারভাইজার গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাধবপুর প্রতিনিধি:হবিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী এনা পরিবহনে ৩য় শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বাসের সুপার ভাইজার মানিক মোল্লা (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১২ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকাগামী এনা পরিবহনে বাসে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে উঠে সুপারভাইজারের উপর। গ্রেপ্তারকৃত মানিক মোল্লা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলার কাবিলপুর গ্রামের নাজির মিয়ার ছেলে। তিনি এনা পরিবহনের কর্তব্যরত সুপারভাইজার।

এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাধবপুর থানার ওসি কেএম আজমিরুজ্জামান, জানান হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার কর্চা গ্রামের একটি পরিবার এনা পরিবহনে (ঢাকামেট্টো-ব-১৪-৭৮৫১) ঢাকা যাচ্ছিল। পরিবারের সদস্যরা এনা পরিবহনে উঠার পর শায়েস্তাগঞ্জ অলিপুর পাড় হবার পর সুপারভাইজার কৌশলে ওই শিশু ছাত্রীকে গাড়ীর পেছনের আসনে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় ওই ছাত্রী আর্তচিৎকারে তার পিতাসহ অন্যান্য যাত্রীরা এগিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ চেষ্টার কবল থেকে রক্ষা করেন।

এ সময় উত্তেজিত যাত্রীরা সুপারভাইজার মানিক মোল্লাকে মারধর করে। যাত্রীরা মাধবপুর থানা পুলিশকে খবর দিলে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ কেএম আজমিরুজ্জামান সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুর উপজেলার ইটাখোলা নামক স্থানে গাড়ী থামিয়ে অভিযুক্ত সুপারভাইজারকে গ্রেপ্তার করে ভিকটিমকে উদ্ধার করে।

ভিকটিমের পিতা জানান, তিনি ঢাকার টঙ্গীর পাঠান বাড়ি এলাকায় সপরিবারে একটি ফুলের বাগানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। তার মেয়ে স্থানীয় একটি ব্র্যাক স্কুলের ৩য় শ্রেণীর ছাত্রী। হবিগঞ্জ থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে।

তবে গাড়ির সুপার ভাইজার মানিক মোল্লা এ ঘটনায় নিজেকে নির্দেশ দাবি করে বলেন, তিনি মেয়ের পাশে সিটে বসেছিলেন। হঠাৎ গাড়ির স্পিড ব্রেকারে ঝাঁকুনি লাগলে ঘুম থেকে জেগে কেঁদে উঠে। তখন মেয়ের মা, মামা, বাবা তাকে মারপিট শুরু করে।

মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ কেএম আজমিরুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা সুপার ভাইজার মানিক মোল্লাকে আসামি করে মাধবপুর থানায় একটি মামলা করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি