1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুর সাহাপাড়া এলাকায় মেয়ের হাতে মা খুন, আটক-১। শ্যামনগর থানা পরিদর্শনে জেলা পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল। কয়রায় জলবায়ু পরিবর্তন ও সামাজিক সুরক্ষার উপর এ্যাডভােকেসি ক্যাম্পেইন। কয়রায় মিথ্যা অভিযোগে হয়রানী করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মলন। কেশবপুরে ২৩ বছরেও যুবদলের কমিটি নেইঃ তৃণমূলে হতাশা। বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। গহনা ছিনতাইকালে দুর্বৃত্তের ইটের আঘাতে নারী নিহত। পাইকগাছায় ছোট ভাইয়ের ধাক্কায় বড় ভাই নিহত। শিরখাড়ায় মাদক ও বালুদস্যু নির্মূলে ঐক্যবদ্ধ এলাকাবাসী; কঠোর হুঁশিয়ারি। প্রেসক্লাবে ঢুকে সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ।

কেশবপুর সাহাপাড়া এলাকায় মেয়ের হাতে মা খুন, আটক-১।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি।

যশোরের কেশবপুর পৌর শহরের সাহাপাড়া এলাকায় মেয়ের হাতে মা হত্যা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মেয়েকে আটক করেছে কেশবপুর থানা পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল-২৬) গভীর রাতে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত গৌরী অধিকারী (৭৫) মৃত সাহাপাড়ার কালীপদ অধিকারীর স্ত্রী। সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
ঘটনার পর এলাকাবাসী বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। এলাকা জনমানুষের ভীড় বাড়তে থাকে। খবর পেয়ে সঙ্গীয় সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম এবং অভিযুক্ত দীপ্তি রাণী (৫০) ওরফে সাধনা অধিকারীকে আটক করে। এলাকাবাসী হতবাক-কীভাবে মেয়ে তার মায়ের প্রতি এমন নির্মম হতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে গৌরী অধিকারীকে হত্যা করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তার মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়ে দীপ্তি অধিকারী এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম (ওসি) বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। প্রাথমিকভাবে অভিযুক্তের মানসিক সমস্যা থাকার কিছু প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিস্তারিত জানার জন্য ময়নাতদন্ত রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে।”তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোরে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর হত্যার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ বাড়িতে এনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা যাবে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, গৌরানী রানী ছিলেন অত্যন্ত সজ্জন ও শান্ত স্বভাবের মানুষ। তার এমন পরিণতি হবে এটা কারোরই কাম্য ছিল না। সমাজের সচেতন মহল বলছে, পারিবারিক সম্পর্কে অবক্ষয় ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার বিষয়গুলোকে আরও গুরুত্ব দেয়া জরুরি। তা না হলে এমন মর্মান্তিক ঘটনা সমাজে আরও উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। স্থানীয়রা এমন নৃশংস ঘটনার সঠিক তদন্ত ও দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
ছবিঃ
২৮/০৪/২৬

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT