১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা খুলনাকে একটি আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই- কেসিসি মেয়র।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।

বিশ্বনগর পরিকল্পনা দিবস ২০২১ পালন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা আজ সোমবার সকালে নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্রাক-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লানার্স (বিআইপি) খুলনা চ্যাপ্টার এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। দিবসটিকে কেন্দ্র করে এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে ‘‘ওয়ার্ডকেন্দ্রিক নগর পরিকল্পনা’’।

 

সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সিটি মেয়র বলেন, সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা খুলনাকে একটি আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এ প্রচেষ্টার বাস্তব রূপ দিতে কেডিএ’র সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন। কেননা নগরায়নের ক্ষেত্রে সংস্থাটি মাস্টার প্লান প্রণয়ন করে থাকে এবং সেই প্লানের ভিত্তিতেই নগরায়ন ত্বরান্বিত করতে হয়। অথচ সংস্থাটির মাস্টারপ্লান সম্পর্কে কেউ অবগত নয়। তিনি খুলনার উন্নয়নে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে উভয় সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণের স্বার্থে কেডিএ’র সাথে কেসিসি সমন্বিতভাবে কাজ করতে চায়। সিটি মেয়র শহর ও শহরতলী এলাকায় প্রতিনিয়ত অপরিকল্পিতভাবে বসত বাড়ি নির্মাণের বিষয়ে তুলে ধরে বলেন, বসত বাড়ি নির্মিত হওয়ার পর অভিযান পরিচালনা করলে সাধারণ মানুষ সর্বশান্ত হয়। সেদিকে লক্ষ্য রেখে তিনি স্থাপনা নির্মাণের পূর্বে তদারকি করার জন্য কেডিএ’র কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানান।

 

বিআইপি-খুলনা চ্যাপ্টারের সভাপতি ও কেসিসি’র চীফ প্লানিং অফিসার আবির উল জব্বার এর-সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাহবুবুল ইসলাম, কেসিসি’র নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর ফকির মোঃ সাইফুল ইসলাম, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ আজমুল হক ও ব্রাক-পিএসইউ-খুলনার ডিভিশনাল ম্যানেজার মোঃ আবু সাঈদ।

 

সভায় কেডিএ’র চেয়ারম্যান আগামী ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ড অফিসসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে মাস্টারপ্লান প্রদর্শনের ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সভায় অবহিত করেন।

 

সভায় বক্তারা ওয়ার্ডকেন্দ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় বিদ্যমান জলাশয়গুলি ভরাট বন্ধ করা, প্রতিটি ওয়ার্ডে কমপক্ষে ২টি সেকেন্ডারী ট্রান্সফার স্টেশন নির্মাণসহ খেলার মাঠ ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ, ভৈরব ও ময়ূর নদী কেন্দ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ, সেবা কার্যক্রম সহজলভ্য করতে ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করাসহ বেশকিছু কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। এলাকাভিত্তিক ছোট ছোট পদক্ষেপ এক সময় সমন্বিত হয়ে আগামী প্রজন্মের জন্য খুলনা শহর একটি পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে উঠবে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।

 

কেসিসি’র মেয়র প্যানেলের সদস্য এ্যাড. মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, মোঃ আনিছুর রহমান বিশ্বাস, কাজী আবুল কালাম আজাদ বিকু, মোঃ গোলাম মাওলা শানু, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মুন্সী আব্দুল ওয়াদুদ, মোঃ মনিরুজ্জামান, শেখ মোসারাফ হোসেন, মোঃ হাফিজুর রহমান মনি, প্রধান প্রকৌশলী মোঃ এজাজ মোর্শেদ চৌধুরী, কেডিএ’র সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো: সাবিরুল আলম, নগর পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো: তানভীর আহমেদ, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর তুষার কান্তি রায়, ব্রাকের মনিটরিং এন্ড ইভ্যালুয়েশন অফিসার উৎপল কুমার দাস, সিনিয়র রিজিওনাল কোঅর্ডিনেটর আবু মোজাফ্ফর মাহমুদ, হেলদি সিটি প্রকল্পের কনসালট্যান্ট আসিফ মাহমুদ, নাগরিক নেতা শেখ মোশারফ হোসেন, শাহিন জামাল পন, এস এম ফিরোজ আলম প্রমুখ আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন। কেসিসি’র আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম-এর সঞ্চালনায় পরিকল্পিত নগরায়নের অন্তরায় ও সমাধান পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে তুলে ধরেন বিআইপি-খুলনা চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইকবাল আহমেদ। খুলনার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং নাগরিক নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক