২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় পুলিশ কনষ্টবল দেবপ্রসাদ বেনাপোল পোর্ট থানায় ৫ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ বহুল আলোচিত বিতর্কীত পুলিশ সদস্য দেবপ্রসাদকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে এনেছে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ। দেব প্রসাদ বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত একজন কনষ্টবল। সে তথ্য ভারতে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ন তথ্য পাচারের অভিযোগে সম্প্রতি আটক হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত্রে তাকে বেনাপোল থানায় রিমান্ডে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে পোর্ট থানা পুলিশ।

সুত্রমতে দেব প্রসাদ সাহা বেনাপোল চেকপোষ্ট ইমিগ্রেশনে গত ২০১৪ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ২০১৮ সালের ১৭ আগষ্ট পর্যন্ত কর্মরত ছিল। দেব প্রসাদ এই ইমিগ্রেশনে কর্মরত থাকা অবস্থায় বহু বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। কখনো মাদক নিয়ে বিজিবি সদস্যদের কাছে ধরা কখনো ডলার, হুন্ডি পাচারের অভিযোগ, কখনো অবাধে ভারতে কেন প্রবেশ করে এসব বিষয় নিয়ে বার বার আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইলেও তৎকালিন তার উপরোরিমহল পুলিশ সদস্যদের অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে একই জায়গায় দীর্ঘ দিন কর্মরত থেকেছেন। দেব প্রসাদ পাসপোর্ট যাত্রীদের ভয়ভিত দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েও ওই সময় পত্রিকার শিরোনাম হয় কয়েকবার।

সম্প্রতি সে অভয়নগর একটি ফাঁড়ি থেকে ঢাকা উত্তরা আর্মড পুলিশে যোগদান করার পর এক এক করে ফাঁস হয় তার ভারতে দেশের গুরুত্বপুর্ন তথ্য পাচারের কথা। এ সংক্রান্ত বিষয়ে সে আটক হলে তাকে রিমান্ডের জন্য বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি তদন্ত মেজবাহ উদ্দিন ১০ দিনের জন্য আদালতে আবেদন করে। আদালত তাকে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গতকাল ১৯ তারিখ রাত থেকে তাকে বেনাপোল থানায় এনে রিমান্ডের কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে থানা সুত্র দাবি করে।

এ বিষয় বেনাপোল পোর্ট থানার এ এসআই আলমগীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি জানাতে অপরাগতা প্রকাশ করে বলেন, আপনারা ওসি স্যারের সাথে কথা বলেন। দেব প্রসাদ থানার কোথায় কোনরুমে আছে তাও থানায় যেয়ে দেখতে পাওয়া যায়নি।

বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি তদন্ত মেজবাহ উদ্দিন বলেন, দেবপ্রসাদ সাহাকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় রিমান্ডে আনা হয়েছে। তবে তার রিমান্ড শেষ না হলে এখন কিছু বলা যাবে না।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি