১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

রংপুর বিভাগ জুড়ে চলছে গনটিকাদান কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সারাদেশের ন্যায় গনটিকাদান কর্মসূচি চলছে রংপুর বিভাগ জুড়ে। সকাল থেকেই কর্মসূচিতে সাড়া দিয়ে টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা গেছে। চলবে বিকাল ৩টা পর্যন্ত। ক্যােপেইন চললেও মানুষের অনেক আগ্রহ থাকায় নির্ধারিত সময়ের টিকাদানের লক্ষ্য পূরণ হয়ে যাবে, বলছেন বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

শনিবার(৭,আগষ্ট) রংপুর বিভাগের আট জেলায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে ১হাজার ৯৭০টি কেন্দ্রে টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। আর এই গণটিকাদান কার্যক্রমের প্রথম দিন শনিবার রংপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকার ৩৩টি ওয়ার্ডের ৯৯ টি কেন্দ্রে ১৯৮০০ জন কে এই টিকার আওতায় আনা হবে। এছাড়াও প্রথমদিন বাদ পড়া ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ের ওয়ার্ডে টিকা দেওয়া হবে আগামী ৮ ও ৯ অগাস্ট। নগরীর বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা গেছে লক্ষণীয়। এই গণটিকাদান কর্মসূচি মানুষের মধ্যে একটা উৎসাহ-উদ্দীপনার তৈরি করেছে বললেন টিকা নিতে আসা সাধারন মানুষ—

তবে বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানালেন, সবাই কে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। রংপুর পর্যাপ্ত টিকা মজুদ আছে এবং এই টিকার পাশাপাশি অন্যান্য টিকার কাজও চলমান থাকবে বলে জানালেন আবদুল ওয়াহাব ভূঞা, কমিশনার, রংপুর বিভাগ,রংপুর। মোঃ মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, মেয়র,রংপুর সিটি কর্পোরেশন,রংপুর। ডাঃ মোঃ ওবারুল ইসলাম,পরিচালক প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ,রংপুর। মোঃ আসিব আহসান, জেলা প্রশাসক,রংপুর।
রংপুরে শতকরা ৮০ ভাগ মানুষকে কোভিট ১৯ টিকার আওতায় আনার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

রংপুর বিভাগের সকল জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং সকল ওয়ার্ডে ১হাজার ৯৭০টি কেন্দ্রে এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি