১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

যশোর সীমান্তে প্রাইভেট কার থেকে ৯৪ টি স্বর্ণের উদ্ধার আটক -৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ সাগর হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ যশোরের নতুন হাট এলাকা হতে ১০.৯৩৫ কেজি ওজনের ৯৪ টি স্বর্ণের বার উদ্ধারসহ জাহিদুল ইসলাম (৩৮), ইয়াকুব আলী (২৮) ও দেলোয়ার হোসেন (২৩) নামে তিন চোরাচালানীকে আটক করেছেন ৪৯ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা।

সোমবার ভোরে (২০ জানুয়ারি) যশোরের নতুন হাট ইটভাটা সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর হতে একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্টো গ-৪৩-৪২২৯) তল্লাশী করে এ স্বর্ণের চালানসহ তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃত স্বর্ণ চোরাচালানী জাহিদুল ইসলাম শার্শা থানার দূর্গাপুর গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে, ইয়াকুব আলী আমলায় গ্রামের আনারুল ইসলামের ছেলে এবং দেলোয়ার হোসেন কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার নলচক গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে।

এ বিষয়ে যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোঃ সেলিম রেজা, পিএসসি জানান, দীর্ঘদিন যাবত হুন্ডি, মাদক, চোরাচালান ও স্বর্ণ আটকের নিমিত্তে বিজিবি’র বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী গোয়েন্দা তৎপরতাসহ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে ২০ জানুয়ারি সুবেদার মোঃ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে যশোরের নতুন হাট ইটভাটা সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর হতে রাত একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্টো গ-৪৩-৪২২৯) তল্লাশী করে ১০.৯৩৫ কেজি স্বর্ণ (৯৪ টি বার) এবং ০৩ জন আসামী আটক করা হয়। আটককৃত স্বর্ণের আনুমানিক সিজার মূল্য ৬,৬০,০০,০০০/- (ছয় কোটি ষাট লক্ষ) টাকা। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বারসহ আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

তিনি আরো জানান, আটককৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উক্ত স্বর্ণেরবারগুলি শ্যামলী, ঢাকা হতে সংগ্রহ করে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে বেনাপোল নিয়ে যাচ্ছিল। এছাড়াও প্রাইভেটকারের মালিক মোঃ ইমান আলী, গ্রাম- পুটখালী, থানা-বেনাপোল পোর্ট, জেলা-যশোর এর বলে জানায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি