২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

বড়লেখায় ১৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বড়লেখা প্রতিনিধি জেহিন সিদ্দিকী::

কঠোর লকডাউনে বিধিনিষেধ অমান্য করায় বড়লেখায় পর্যটকসহ ১৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক অভিযানে এই জরিমানা করা হয়।

একই সময় হাকালুকি হাওর এলাকা থেকে পর্যটক বহনকারী সাতটি যানবাহন জব্দ করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী। পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা অভিযানে সহায়তা করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারঘোষিত কঠোর লকডাউন চলছে। কিন্তু অনেকেই লকডাউনের বিধিনিষেধ মানছেন না। স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অকারণে ঘোরাফেরা করছেন, নির্ধারিত সময়ের বাইরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখছেন। লকডাউন বাস্তবায়নে বড়লেখা পৌর শহর, উত্তর চৌমুহনী, দাসেরবাজার, কাননগোবাজার, হাকালুকি হাওরের হাল্লা, দরগাবাজার ও পাখিয়ালা চৌমুহনীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে হাকালুকি হাওরে ঘুরতে আসা পর্যটকসহ ১৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানকালে হাকালুকি হাওরের হাল্লা এলাকা থেকে পর্যটক বহনকারী ৩টি সিএনজি চালিত অটোরিকশা, একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ও ৩টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। পরে এগুলো তালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিদ্যুৎ কান্তি দাস, স্থানীয় ইউপি সদস্য ও করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি শাহিন আহমদের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী বলেন, ‘বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও হাকালুকি হাওর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে হাওরে ঘুরতে আসা পর্যটকসহ ১৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা এবং ৭টি পর্যটকবাহী যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। বিধিনিষেধ কার্যকর করতে এ ধরণের অভিযান চলবে।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।