২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

দিল্লিতে বিজেপি বিরোধী দলের জোটের মমতার ডাকে পাল্টি খেলেন এন সি পি নেতা শারদ পাওয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ভারত থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম

 

কথা দিয়ে কথা রাখতে পারলেন না ভারতের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও এন সি পি নেতা এবং মহারাষ্ট্র রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শারদ পাওয়ার। কিছুদিন আগে পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে ভ্যারচুয়্যাল বৈঠকে উপস্থিত হন। এবং সারা ভারতের বিজেপি বিরোধী দলের জোটের ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করার জন্য ও তার নেতৃত্ব দেবার জন্য তৃনমূল দলের সুপ্রিমো ও পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শ্রী শারদ পাওয়ার কে অনুরোধ করেন। এবং পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বিজেপি বিরোধী দলের জোটের ঐক্যবদ্ধ করার জন্য দিল্লিতে একের পর এক বিরোধী দলের নেতৃত্বের সাথে দেখা করছেন এবং কথা বলছেন ঠিক তখনই দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর সাথে দেখা করলেন না এন সি পি নেতা শ্রী শারদ পাওয়ার। এদিকে গত কয়েক দিন ধরে দিল্লিতে আম আদমি পার্টি র নেতা ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী শ্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও ভারতের জাতীয় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও ভারতের জাতীয় কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাথে মিলিত হয়েছে। কিন্তু, ২০১২,সালের, মতো ভারতের রাস্ট্রপতি নির্বাচনে এ পি জে আব্দুল কালামের সময় তাকে ভোট দেবার জন্য বলে রাতারাতি পাল্টি খেয়েছিল সমাজবাদী পার্টির নেতা ও সাবেক উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী মুলায়ম সিঙ্ঘ যাদব। সেই অবস্থার সৃষ্টি হয় আজ দিল্লিতে। শ্রী শারদ পাওয়ার না আসলেও তার কন্যা সংসদ সদস্য শ্রীমতী সুপ্রিয়া সুলে ও দিল্লিতে থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে সাড়া দেননি। তাহলে কি সারা ভারতের বিজেপি বিরোধী দলের জোটের ঐক্যবদ্ধ কোথায় গিয়ে দাড়াবে সেটা লক্ষ্য টাকার প্রশ্ন। তাছাড়া আগামী নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে যারা ভারতের পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইছে তাদের কাছে দিবাস্বপ্ন হিসাবে দেখা ছাড়া আর কিছুই থাকবে না বলে মনে করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধীরা।।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।