১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

তজুমদ্দিনে করোনা আক্রান্তদের সেবা দিতে নেই কোন সরঞ্জামাদি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

রায়হান কাজি,তজুমদ্দিন প্রতিনিধি ॥ ভোলার তজুমদ্দিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নোভেল করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্তদের সেবা দিতে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক প্রস্তুত রাখা হয়েছে পাঁচশয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন ইউনিট।

 

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সেবা দিতে ডাক্তারদের জন্য নেই পার্সনাল প্রটেকশন ইকুপমেন্ট (পি.পি.ই) পোষাক। ফলে এ উপজেলার সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ডাক্তাররাও রয়েছেন করোনা আতঙ্কের মধ্যে।
হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়, নোভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) যেহেতু আমাদের দেশীয় রোগ নয়। এটি বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের থেকে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। সেহেতু গতকাল ২০মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে তজুমদ্দিনে আসা ১২৫ জন বিদেশীর মধ্যে মাত্র ৩২ জনকে সনাক্ত করতে পেরেছেন উপজেলা স্বাস্থ্যবিভাগ।

 

বাকিরা কোথায় আছেন তাদের সম্পর্কে কোন তথ্য নেই উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে। সনাক্ত করা ৩২ জনকে রাখা হয়েছে হোম কোয়ারেন্টাইনে। স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক সাধারণ মানুষকে করোনা সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষে সচেতনামূলক লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ কবির সোহেল বলেন, যেহেতু নোভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর প্রাদুর্ভাব দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে তাই আতঙ্কিত না হয়ে সকলকে সচেতন হতে হবে।

আমাদের হাসপাতালে পার্সনাল প্রটেকশন ইকুপমেন্ট (পি.পি.ই) না থাকলেও আমরা জীবনের ঝুকি নিয়ে সাধারণ মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, সাধারণ সর্দি, কাশি, গলাব্যথা,জ্বর, শরীর ব্যথা, হাঁচি ইত্যাদি উপসর্গ যদি হয় তাহলে হাসপাতালে না এসে বাড়িতে বসে হাসপাতালের সরকারী ০১৭৩০৩২৪৪২২ নম্বরে যোগাযোগ করলে তারা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিবেন বলেও জানান।

এছাড়া বিভিন্ন দেশ থেকে তজুমদ্দিনে আসা ১২৫ জন বিদেশীর মধ্যে মাত্র ৩২ জনকে সনাক্ত করতে পেরেছেন উপজেলা স্বাস্থ্যবিভাগ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি