২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

আজ পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার হিমচি গ্রামে ফুটবল দিবস পালন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আজ পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার হিমচি গ্রামে ফুটবল দিবস পালন।।

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।

আজ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার অন্তর্গত বারুইপুর জেলা পুলিশের অধীনে বারুইপুর পূর্ব বিধান সভা কেন্দ্রের নবগ্রাম অঞ্চল এর পক্ষ থেকে বিরাট ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গ্রাম থেকে হাজার হাজার মানুষ ফুটবল খেলা দেখতে আসেন। এই ফুটবল দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অনেক গুলো দল অংশ নেন। সারাদিন ধরে খেলা চলে। এবং খেলায় বিজয়ী হয় হিমচি গ্রাম বি টিম। যায় কর্নধার নবগ্রাম অঞ্চল এর উপ প্রধান জনাব আকতার হোসেন মন্ডল মহাশয়। তিনি নিজে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং খেলা পরিচালনা করেন। বিজয়ী দলের হাতে গ্লোডেন কাপ তুলে ধরেন নবগ্রাম অঞ্চল এর উপ প্রধান জনাব আকতার হোসেন মন্ডল ও তাকে সাহায্য করেন হিমচি গ্রাম পঞ্চায়েত এর সদস্য জনাব সাবির আলী গাজী। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বহু গুনিজন এবং সমাজের সব শ্রেণীর মানুষ। এই অনুষ্ঠানে খেলা দেখতে আসেন বহু মহিলা।।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি