1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রার ৪০ বনজিবী পেলেন নৌকা, জাল ও লাইফ জ্যাকেট । খুলনায় প্রথমবারের মতো ঘোষিত হলো “ঊষার আলো দুর্গাপূজা অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬”। রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার। বিলাইছড়িতে নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। কয়রায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত । খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেল গঠন  রতন মিত্র আহবায়ক ও সুমন দাস সদস্য সচিব । কেশবপুরে অভিভাবক ও কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

কয়রায় ৪শতাধিক অসহায় পরিবারের  মাঝে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে পানির ট্যাংকি বিতরণ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১১৭ বার পঠিত

 অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় সুপেয় পানির সংকট মোকাবিলা ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের লক্ষ্যে ৪শতাধিক অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে পানির ট্যাংকি বিতরণ করা হয়েছে। 

৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় উপজেলার মাহারাজপুর ইউনিয়নের হারুনগাজীর মোড় সংলগ্ন এলাকায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ স্কেল এলএলএ প্রকল্পের “যাকাত ” ফান্ডের আওতায় দুই হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ট্যাংকি বিতরণ করা হয়। 

জানাগেছে,  কয়রা সদর ইউনিয়নে ২২৯   ও মাহারাজপুর ইউনিয়নে ১৭১ টি পানির ট্যাংকি বিতরণ করা হয়। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে পরিবারের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার এবং শুষ্ক মৌসুমে সুপেয় পানির সংকট কিছুটা লাঘব করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। বিতরণকালে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের মাঝে পানির ট্যাংকী হস্তান্তর করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকী, অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইয়ুৃথ সদস্য ফরহাদ হোসেন, রাসেল আহমেদ, ইউপি সদস্য জামাল ফারুখ জাফরিন, ইসলামী রিলিফ বাংলাদেশের প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ গাজীউর রহমান, সহকারী প্রকল্প কর্মকর্তা তৈয়েবুর রহমান প্রমুখ, 

ট্যাংকি পেয়ে কয়রা ইউনিয়নের  ৬নম্বর কয়রা গ্রামের  উপকারভোগী আজিবার রহমান বলেন, একটি পানির ট্যাংকি আমার কাছে ছিল স্বপ্ন, অনেক চেষ্টা করেও একটি ট্যাংকি কিনতে পানিরি। পরিবারের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হতো।  বৃষ্টির পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা না থাকায় দূর থেকে পানি কিনে এনে খেতে হতো আমাদের । এখন ট্যাংকে পানি সংরক্ষণ করে প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করা যাবে। এতে তাদের পানির কষ্ট ও বাড়তি খরচ দুটোই কমবে। মাহারাজপুর ইউনিয়নের শ্যামখালী গ্রামের আমেনা খাতুন বলেন, অনুস্থ শরীর নিয়ে গৃহস্থালির কাজের পাশাপাশি তাকে প্রতিনিয়ত খাবার পানি সংগ্রহ করতে যেতে হতো।  একদিকে পরিবার সামলানো  অন্যদিকে খাবার পানির সংগ্রাম।  ট্যাংকি পেয়ে কিছুটা হলেও উপকার কবে। বৃষ্টির সময় পানি ধরে রেখে খেতে পারব। উপজেলা ক্লাইমেট এ্যাকশন ফোরামের সভাপতি রাসেল আহম্মেদ বলেন,জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে  উপকূলীবর্তী উপজেলা কয়রার ৭টি ইউনিয়নেই লবণাক্ততার কারণে দীর্ঘদিন ধরে সুপেয় পানির তীব্র সংকট রয়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারগুলোকে দূর-দূরান্ত থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হয়। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে তা পরবর্তী সময়ে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হলে এসব পরিবারের পানির কষ্ট অনেকটাই কমবে।এই ধরণের প্রকল্প এই অঞ্চলের জন্য খুবই প্রয়োজন। ট্যাংকি হস্তান্তরকালে প্রধান অতিথির বক্তব্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, উপকূলীয় কয়রায় সুপেয় পানির সংকট দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে ব্যবহার করা হলে নিরাপদ পানির চাহিদা অনেকটাই পূরণ করা সম্ভব। অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের জন্য বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ট্যাংক বিতরণ একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। আমরা আশা করি, উপকারভোগীরা ট্যাংকগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার ও সংরক্ষণ করবেন। পাশাপাশি নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের উদ্যোগে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT