1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুর-ত্রিমোহিনী সড়ক যেন মরণফাঁদ। শ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু। নিসচা’র ডুমুরিয়ায় নবাগত শিক্ষার্থীদের ইভটিজিং ও সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক আলোচনা। মৌলিক চাহিদা পূরণে অগ্রাধিকার, ওয়ার্ডভিত্তিক উন্নয়নের প্রত্যয় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে মাদকমুক্ত সমাজ ও মানুষের চাহিদা পূরণের কথা বললেন মেয়র পদপ্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদ। কালীগঞ্জ থানা কমিউনিটি পুলিশের বালক কাবাডি দল সেমি ফাইনালে। পাটকেলঘাটায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে একমি কোম্পানির সেলস অফিসার নিহত। পৌরসভার উদ্যোগে মণিরামপুর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা অভিযান। মণিরামপুরে হরিহর নদে ক্ষতিগ্রস্থ মাদ্রাসা ভবন রক্ষার্থে পাউবোর কাজ শুরু। কেশবপুর খেলাঘর-এর সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আলোচনা সভা। কেশবপুরে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত।

মানবিক সাহায্যের আবেদন আমি বাঁচতে চাই আমাকে বাঁচান সোয়েল রানা ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৫২ বার পঠিত

মো নাহিদ হাসান নিয়ামতপুর উপজেলার প্রতিনিধি ঃ

 

 

মানবিক সাহায্যের আবেদন বাঁচতে চায় সোহেল রানা

লিভার, ফুসফুস, এবং হাডের রোগে আক্রান্ত মো. সোহেল রানা (১৬) বাঁচতে চায়। চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তশালীদের সহায়তা চায় তার পরিবার। মো. সোহেল রানা নিয়ামতপুর উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের চন্দননগর মধ্যেপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলাম এর ছোটো ছেলে।

 

জানা গেছে, বিগত ১ বছর আগে দূরারোগ্যব্যাধী লিভার সিরোসিস ধরা পড়ে তার শরীরে। পরবর্তীতে রাজশাহী সহ বিভিন্ন হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলে। স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় তাকে যত তারাতারি সম্ভব আইসিইউ তে স্থানান্তর করা দরকার বলে জানিয়েছে চিকিৎসক । বতমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার কথা থাকলেও নিজ গ্রামে অবস্থান করতেছেন সোহেল রানা । চিকিৎসার জন্য এ পর্যন্তন প্রায় কয়েক লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। ২ ভাই এর মধ্যে সোহেল দ্বিতীয় । ছেলের চিকিৎসার জন্য গচ্ছিত সকল সম্পত্তি উজাড় করে দিয়েও কোন কিনারা পাচ্ছেন না তার পরিবার। বর্তমানে প্রতিদিন চিকিৎসা বাবদ ৮-১০ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার জন্য আরো ৭ লাখ টাকার প্রয়োজন। অর্থ সংকটের কারণে আইসিউতে ভতি করানো যাচ্ছে না।

 

মো. সোহেল এর বড় ভাই বলেন, নম্র, ভদ্র ও ভালো ছেলে হিসেবে এলাকায় ভাইয়ার সুনাম রয়েছে। আমার জানা মতে ভাইয়া কখনো কারো ক্ষতি করেনি। তাহলে ভাইয়ার এমন রোগ কেন হলো। ভাইয়ার চিকিৎসার জন্য আমাদের পরিবারের যা কিছু ছিলো সব ব্যয় করা হয়েছে। এখন অর্থ সংকটে ভাইয়ার চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। মানবিকতার দৃষ্টিতে এবং আমাদের একজন ভাই হিসেবে যার যার জায়গা থেকে যতটুকু সম্ভব সাহায্য করলে তার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারবো। আমি সমাজের মানবিক ও বিত্তশালীদের প্রতি অনুরোধ করবো আপনাদের সামান্য সহযোগিতায় হয়তো আমার ভাইয়ার জীবন বেঁচে যেতে পারে।

 

সোহেল রানার বাবা পেশায় একজন রাস্তার শরবত বিক্রেতা। তিনি বলেন , প্রতিদিন ১ সিলিন্ডার করে অক্রসিজেন কিনতেই হিমসিম খেতে হচ্ছে। সকল সম্পত্তিও প্রায় শেষ করে ফেলেছি তার চিকিৎসার জন্য এখন বাকি আছে এই মাথা গুজার বাড়িটি। সকলের কাছে আমার ছেলের জন্য সাহায্য চাইতেছি।

 

সোহেল রানা মাঝাসাঝেই বলতেছে, মাগো আমি বাঁচতে চাই,, আমাকে বাঁচাও। কিন্তু টাকার অভাবে ছেলের কথা শুনে অঝোরে কান্না করা ছাড়া তার মায়ের আর কিছুই করার নাই। তাইতো সোহেল কে সান্ত্বনা দিচ্ছে বাবা কাল তোরে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাবো।

 

উক্ত ঘটনাটি শুনে ছাতড়া সমাজ কল্যাণ পরিষদের সদস্যরা উক্ত পরিবারকে কিছু টাকা দিয়ে সাহায্য প্রদান করেন।

 

পাড়া প্রতিবেশি সকলেই সোহেল রানার জন্য মানবিক সাহায্য চেয়েছেন।

 

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: – নম্বর- 01755811040

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT