1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মণিরামপুরে চেকের আলাদা মামলায় প্রধান শিক্ষক জামালের আবারও ১ বছরের জেল। কেশবপুরে বিনামূল্যে দরিদ্রদের সেলাই মেশিন, হুইল চেয়ার, বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়। কেশবপুর থানা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৬ আসামি গ্রেফতার। কালীগঞ্জে জনগণের উন্নয়নে পাশে দাঁড়াতে হবে এমপি, ফজলুল হক মিলন। শ্যামনগরে এইচএসসি,আলিম ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১ম দিনে অনুপস্থিত অর্ধশত। সারা দেশে এইচ এস সি পরীক্ষা শুরু,মোট পরিক্ষার্থী ১২ লক্ষ ৭০ হাজার ৫৮৩ কালীগঞ্জে পরিক্ষার্থী ১৮৫৫ জন। আজীবন কয়রার মানুষের পাশে থাকতে চাই …………….জেলা পরিষদের প্রশাসক বাপ্পী। বাগদহা গ্রামে সবচেয়ে পুরনো রাস্তার বেহাল অবস্থাঃ দেখার কেউ নেই। মো. আল-আমিন দেওয়ান আল আবেদী জন্ম দিনের শুভেচ্ছায় শিক্তহলেন।

মানবিক সাহায্যের আবেদন আমি বাঁচতে চাই আমাকে বাঁচান সোয়েল রানা ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৩১ বার পঠিত

মো নাহিদ হাসান নিয়ামতপুর উপজেলার প্রতিনিধি ঃ

 

 

মানবিক সাহায্যের আবেদন বাঁচতে চায় সোহেল রানা

লিভার, ফুসফুস, এবং হাডের রোগে আক্রান্ত মো. সোহেল রানা (১৬) বাঁচতে চায়। চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তশালীদের সহায়তা চায় তার পরিবার। মো. সোহেল রানা নিয়ামতপুর উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের চন্দননগর মধ্যেপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলাম এর ছোটো ছেলে।

 

জানা গেছে, বিগত ১ বছর আগে দূরারোগ্যব্যাধী লিভার সিরোসিস ধরা পড়ে তার শরীরে। পরবর্তীতে রাজশাহী সহ বিভিন্ন হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলে। স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ায় তাকে যত তারাতারি সম্ভব আইসিইউ তে স্থানান্তর করা দরকার বলে জানিয়েছে চিকিৎসক । বতমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার কথা থাকলেও নিজ গ্রামে অবস্থান করতেছেন সোহেল রানা । চিকিৎসার জন্য এ পর্যন্তন প্রায় কয়েক লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। ২ ভাই এর মধ্যে সোহেল দ্বিতীয় । ছেলের চিকিৎসার জন্য গচ্ছিত সকল সম্পত্তি উজাড় করে দিয়েও কোন কিনারা পাচ্ছেন না তার পরিবার। বর্তমানে প্রতিদিন চিকিৎসা বাবদ ৮-১০ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার জন্য আরো ৭ লাখ টাকার প্রয়োজন। অর্থ সংকটের কারণে আইসিউতে ভতি করানো যাচ্ছে না।

 

মো. সোহেল এর বড় ভাই বলেন, নম্র, ভদ্র ও ভালো ছেলে হিসেবে এলাকায় ভাইয়ার সুনাম রয়েছে। আমার জানা মতে ভাইয়া কখনো কারো ক্ষতি করেনি। তাহলে ভাইয়ার এমন রোগ কেন হলো। ভাইয়ার চিকিৎসার জন্য আমাদের পরিবারের যা কিছু ছিলো সব ব্যয় করা হয়েছে। এখন অর্থ সংকটে ভাইয়ার চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। মানবিকতার দৃষ্টিতে এবং আমাদের একজন ভাই হিসেবে যার যার জায়গা থেকে যতটুকু সম্ভব সাহায্য করলে তার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারবো। আমি সমাজের মানবিক ও বিত্তশালীদের প্রতি অনুরোধ করবো আপনাদের সামান্য সহযোগিতায় হয়তো আমার ভাইয়ার জীবন বেঁচে যেতে পারে।

 

সোহেল রানার বাবা পেশায় একজন রাস্তার শরবত বিক্রেতা। তিনি বলেন , প্রতিদিন ১ সিলিন্ডার করে অক্রসিজেন কিনতেই হিমসিম খেতে হচ্ছে। সকল সম্পত্তিও প্রায় শেষ করে ফেলেছি তার চিকিৎসার জন্য এখন বাকি আছে এই মাথা গুজার বাড়িটি। সকলের কাছে আমার ছেলের জন্য সাহায্য চাইতেছি।

 

সোহেল রানা মাঝাসাঝেই বলতেছে, মাগো আমি বাঁচতে চাই,, আমাকে বাঁচাও। কিন্তু টাকার অভাবে ছেলের কথা শুনে অঝোরে কান্না করা ছাড়া তার মায়ের আর কিছুই করার নাই। তাইতো সোহেল কে সান্ত্বনা দিচ্ছে বাবা কাল তোরে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাবো।

 

উক্ত ঘটনাটি শুনে ছাতড়া সমাজ কল্যাণ পরিষদের সদস্যরা উক্ত পরিবারকে কিছু টাকা দিয়ে সাহায্য প্রদান করেন।

 

পাড়া প্রতিবেশি সকলেই সোহেল রানার জন্য মানবিক সাহায্য চেয়েছেন।

 

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: – নম্বর- 01755811040

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT