২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

যশোরের ঝিকরগাছার নাভারণে বিচারে দাবীকৃত টাকা না দেওয়ায় মারপিট আহত-৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ সাগর হোসেন,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের ঝিকরগাছার নাভারণে গ্রাম্য শালিশে বিচারের নামে দাবীকৃত টাকা না দেওয়ায় মারপিটের শিকার হয়েছেন অন্তত: ৬ জন। আহতরা হলেন নাভারণ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইসলামপুর গ্রামের ঢাকা পাড়ার জুলহাসের স্ত্রী রেহেনা বেগম, ছেলে রানা হোসেন (২৮) ও রনি হোসেন (২৫) এবং ঐ একই গ্রামের তাহেরের ছেলে ইলিয়াস (১৯), হিরার ছেলে রাকিব (২২), আজিম উল্লাহর ছেলে শাহিন (১৮)। আহতদের মধ্যে রনির অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা ও পুলিশ জানায়, গিয়াস উদ্দিনের ছেলে বাপ্পী (১৯) গত ১৯ তারিখ শুক্রবার ঝিকরগাছা থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগ করেন ইসলামপুর গ্রামের তার চাচা রোস্তম মোল্লার ছেলে হাবিলকে (৩০) রানা ও রনি নেশাগ্রস্থ অবস্থায় মারধর করে। এঘটনার পরে কালু ও শহিদুল মিলে কৌশলে রানা ও রনিকে বলে তোদের নামে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। টাকা-পয়সা দে আমরা মিটিয়ে দিব বলে চাপ দিতে থাকে। এক পর্যায়ে সোমবার বিকাল ৫টার দিকে নাভারণ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ আলীর ছেলে মুজিবর রহমান স্থানীয়ভাবে বিচার-সালিশের আয়োজন করে। বিচারে ইউপি সদস্য মুজিবর রহমান মারপিট শুরু করে। পরে ইউপি সদস্য মুজিবর রহমানের নের্তৃত্বে বাপ্পী, হাবিল, আলমগীর হোসেন, হেদায়েত হোসেন, মিন্টু, মিজান, সজল, মিলনসহ আরো অনেকে অতর্কিতভাবে মারপিট করে। এতে রনির অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রানাকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে ও অন্যান্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিয়েছে। তবে স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, ইউপি সদস্য মুজিবর রহমান সবকিছু করেছে এবং সে এখন থানায় পাঠিয়েছে মামলা করার জন্য এবং মামলায় তাকে যেন না জড়ানো হয়।

ঝিকরগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, আমি মেম্বরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব। মেম্বর এটা করতে পারে না। সে এটা করবে কেন? আমিতো আর মেম্বরকে দায়িত্ব দেই নাই যে, আপনি এটা করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি