1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাটকেলঘাটায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে একমি কোম্পানির সেলস অফিসার নিহত। পৌরসভার উদ্যোগে মণিরামপুর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা অভিযান। মণিরামপুরে হরিহর নদে ক্ষতিগ্রস্থ মাদ্রাসা ভবন রক্ষার্থে পাউবোর কাজ শুরু। কেশবপুর খেলাঘর-এর সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আলোচনা সভা। কেশবপুরে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে—-এটিএম কামরুল ইসলাম। চৌগাছায় সাহিত্য সমাহারের মাসিক সাহিত্য আলোচনা ও কবিতা পাঠ। কেশবপুরের হাসানপুরে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন। পশ্চিম সুন্দরবনে অভয়ারাণ্য এলাকায় মাছ ধরার অভিযোগে চার জেলে আটক। বেনাপোল পৌরসভাকে আধুনিক ও মডেল পৌরসভায় রূপান্তরের প্রত্যয়।

নীলফামারীর মেধাবী ছাত্রী অনিতা রায় বাঁচতে চায়

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৭০ বার পঠিত

নীলফামারীর মেধাবী ছাত্রী অনিতা রায় বাঁচতে চায়

তপন দাস

নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারী সদরের সংগলশী ইউনিয়নের অনিতা রায় নামে নবম শ্রেণির এক মেধাবী ছাত্রী দীর্ঘদিন যাবত হার্টের রোগে আক্রান্ত। অনিতার হার্টে বেশ কয়েকটি ছিদ্র হয়েছে। অর্থাভাবে অপারেশন করতে না পেরে দিনদিন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে মেয়েটি। মাত্র ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা আবারো জীবনের আলো ফিরিয়ে দিতে পারে অনিতার।

সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নের সূবর্ণখুলি গ্রামের দিনমজুর ভাদু রায়ের মেয়ে অনিতা রায় স্থানীয় বারুণীর ডাঙ্গা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী। যে বয়সে বান্ধবীদের সাথে প্রতিনিয়ত স্কুলে যাওয়ার কথা সে বয়সে তাকে মৃত্যু যেন ধুঁকে ধুঁকে মারছে। দীর্ঘদিন যাবত অনিতা হৃদরোগে আক্রান্ত। দিনমজুর বাবা-মা প্রথমত রংপুরের ডাঃ আবু জাহিদ বসুনিয়া (হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, সহকারী অধ্যাপক কার্ডিওলজি বিভাগ, রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল) কাছে অনিতার চিকিৎসা চালায়। কিছুদিন ডাক্তারে পরামর্শে ঔষধ খাওয়ার পর সে সুস্থ ছিলো। কয়েকমাস পর আবার অনিতার অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে।

তারপর তার পরিবার হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ এস কে সেন (এক্স- আবাসিক ফিজিশিয়ান, এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল দিনাজপুর) কাছে নিয়ে যায় সেখানে বিভিন্ন পরিক্ষা নিরিক্ষার পর জানতে পারে অনিতার হার্টে বেশ কয়েকটি ছিদ্র হয়েছে, যা অপারেশন না করলে তাকে বাঁচানো সম্ভব না। অপারেশন করতে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রয়োজন। যা দিনমজুর বাবার পক্ষে অপারেশন করা সামর্থের বাইরে।ফলে অর্থাভাবে থমকে পড়ছে অনিতার চিকিৎসা।

শোকের ছায়া নেমেছে ভাদু রায়ের পরিবারে, অর্থাভাবে অপারেশন করতে না পারায় দিনকে দিন মেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে সেটা দেখে কাঁদা ছাঁড়া কোন উপায় নেই অনিতার মা আকলি রানীর।

অনিতার বাবা দিনমজুর ভাদু রায়,অনিতার সুচিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন।
অনিতার বাবার মোবাইল নম্বরঃ ‘ 01818508205 ‘ সংগলশী ইউনিয়নের অনিতা রায় নামে নবম শ্রেণির এক মেধাবী ছাত্রী দীর্ঘদিন যাবত হার্টের রোগে আক্রান্ত। অনিতার হার্টে বেশ কয়েকটি ছিদ্র হয়েছে। অর্থাভাবে অপারেশন করতে না পেরে দিনদিন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে মেয়েটি। মাত্র ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা আবারো জীবনের আলো ফিরিয়ে দিতে পারে অনিতার।

সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নের সূবর্ণখুলি গ্রামের দিনমজুর ভাদু রায়ের মেয়ে অনিতা রায় স্থানীয় বারুণীর ডাঙ্গা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী। যে বয়সে বান্ধবীদের সাথে প্রতিনিয়ত স্কুলে যাওয়ার কথা সে বয়সে তাকে মৃত্যু যেন ধুঁকে ধুঁকে মারছে। দীর্ঘদিন যাবত অনিতা হৃদরোগে আক্রান্ত। দিনমজুর বাবা-মা প্রথমত রংপুরের ডাঃ আবু জাহিদ বসুনিয়া (হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, সহকারী অধ্যাপক কার্ডিওলজি বিভাগ, রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল) কাছে অনিতার চিকিৎসা চালায়। কিছুদিন ডাক্তারে পরামর্শে ঔষধ খাওয়ার পর সে সুস্থ ছিলো। কয়েকমাস পর আবার অনিতার অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে।

তারপর তার পরিবার হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ এস কে সেন (এক্স- আবাসিক ফিজিশিয়ান, এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল দিনাজপুর) কাছে নিয়ে যায় সেখানে বিভিন্ন পরিক্ষা নিরিক্ষার পর জানতে পারে অনিতার হার্টে বেশ কয়েকটি ছিদ্র হয়েছে, যা অপারেশন না করলে তাকে বাঁচানো সম্ভব না। অপারেশন করতে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রয়োজন। যা দিনমজুর বাবার পক্ষে অপারেশন করা সামর্থের বাইরে।ফলে অর্থাভাবে থমকে পড়ছে অনিতার চিকিৎসা।

শোকের ছায়া নেমেছে ভাদু রায়ের পরিবারে, অর্থাভাবে অপারেশন করতে না পারায় দিনকে দিন মেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে সেটা দেখে কাঁদা ছাঁড়া কোন উপায় নেই অনিতার মা আকলি রানীর।

অনিতার বাবা দিনমজুর ভাদু রায়,অনিতার সুচিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন।
অনিতার বাবার মোবাইল নম্বরঃ ‘ 01818508205 ‘

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT