
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
মণিরামপুর পৌরশহরে সদ্য খননকৃত হরিহর নদের পাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্থ মাদ্রাসার বহুতল ভবনটি রক্ষার্থে কাজ শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল পাঁচটারদিকে পাউবো, সেনাবাহিনী, উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে নদের পাড়ে বল্লী স্থাপন শুরু করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড যশোরের নির্বাহী প্রোকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানিয়েছেন বল্লী স্থাপনের পর জিও ব্যাগ অথবা মাটির বস্তা দিয়ে পাড় সংস্কার করা হবে।
জানাযায়, মণিরামপুর ফাজিল মাদ্রাসার বহুতল ভবনটি হরিহর নদের তীরে অবস্থিত। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০১২ সালে পাঁচতলা ফাউন্ডেশনের এ ভবনের একতলা সম্পন্ন হয়। ২০২২ সালে ভবনটি সম্প্রসারন করে তিন তলায় রুপান্তরিত করা হয়।সম্প্রতি সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পাউবো হরিহর নদটি পুন:খনন করে। কিন্তু পানির চাপে পাড়টি ভেঙ্গে মাদ্রাসা ভবনের পিছনের বেইজ থেকে মাটি সরে যায়। ফলে ভবনটি হেলে পড়ে। তার ওপর ভবনের মেঝে, দেওয়াল,বিম ও ছাদে ফাটল দেখা দিয়েছে। খবর পেয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী হাদিউজ্জামান খানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা বুধবার সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এ নিয়ে বিভিন্ন গনমাাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে।
গতকাল শনিবার বিকের পাঁচটার দিকে জরুরী ভিত্তিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী, সেনাবাহিনীর প্রকৌশল দপ্তরের (ইঞ্জিনিয়ারিং কোর) সার্জেন্ট শাহ আলম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার স¤্রাট হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তরা ক্ষতিগ্রস্থ ভবনটি পরিদর্শন করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো: শহিদুল্লাহ, গভর্নিংবডির সভাপতি সহকারি অধ্যাপক মুহিবুল্লাহ মনু, প্রেসক্লাবের সভাপতি এস,এম মজনুর রহমান প্রমুখ। পরিদর্শন শেষে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যনার্জী জানান, এই মুহুর্তে ভবন রক্ষার্থে জরুরী ভিত্তিতে নদের ভেঙ্গে যাওয়া পাড়ের পাশে বল্লী স্থাপন শুরু করা হয়েছে। পরবর্তিতে জিও ব্যাগ অথবা মাটির বস্তা দিয়ে পাড়টি সংস্কার করা হবে। অন্যদিকে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী হাদিউজ্জামান খান জানান, তারা মাদ্রাসা ভবনটি সংস্কার করবেন।