1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার। বিলাইছড়িতে নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। কয়রায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত । খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেল গঠন  রতন মিত্র আহবায়ক ও সুমন দাস সদস্য সচিব । কেশবপুরে অভিভাবক ও কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসহায় মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ। জনদুর্ভোগের কথা শুনলেন মেয়র পদপ্রার্থী, নির্বাচিত হলে উন্নয়নের আশ্বাসদেন ইমদাদুল হক ইমদাদ।

গোসাইবাড়ী ধুনট নিউজ গ্রাম বাংলা ঐতিহ্যের নির্দশন বাঁশের সাঁকো ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০২১
  • ২৫৩ বার পঠিত

নিয়ামুল ইসলাম বগুড়া প্রতিনিধি।

 

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের নির্দশন বাঁশের সাঁকো। যা আজকে গ্রাম অঞ্চল থেকে বিলুপ্ত হয়েছে যাচ্ছে । সাঁকো শব্দর অর্থ হলো পোল বা সেতু। সাঁকো হারিয়ে যাওয়া বাংলার এক স্মৃতি। সত্তর দশকে এমন কোন গ্রাম ছিলো না যেখানে বাঁশের সাঁকো ছিলো না। প্রতিটি গ্রামে সাত আটটি করে বাঁশের সাঁকো ছিলো বর্ষার মৌসুমে। খালে, বিলে, নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যাওয়ার মাধ্যম ছিলো নৌকা এবং বাঁশের সাঁকো। খুব সহজে পারাপারের জন্য বাঁশের সাঁকো ছিলো ভালো মাধ্যম। বর্ষায় নদীর পানি বেড়ে গেলে গ্রামের ছোট বড় সম্মিলিতভাবে বাঁশ সংগ্রহ করে সাঁকো তৈরি করতো। সেই সাঁকো দিয়ে পারাপার হতো বিভিন্ন পেশার মানুষ এমন কি ছোট ছোট বাচ্চারাও। তারা প্রতিনিয়ত সাঁকো ওপর দিয়ে স্কুল যেতে দুষ্টমি করে সাঁকো থেকে লাফ দিতো, পা পিছলে পানিতে পড়ে যেতো। সাহস জোগাতে একজন আরেক জনকে বলতো, দেখ এটা তো বাঁশের সাঁকো পুলসিরাতে তো চুলের সাঁকো পার হতে হবে, তা আরো কঠিন। আজ আর সাঁকো নেই, কালের চাহিদা মতো তা পাকা রাস্তা আর ব্রিজে পরিণত হয়েছে, কিন্তু সেই স্মৃতি গুলো আজও অম্লান হয়ে আছে, যা শৈশবকে মনে করে দেয়।

 

বাঁশের সাঁকো গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য হলেও প্রতিনিয়ত থেকেই যায় ঝুঁকিপূর্ণ। এমন চিত্র দেখা যায় বগুড়া জেলার ধুনট পৌর এলাকায়। সেই সাঁকো দিয়ে প্রতিনিয়ত অনেক মানুষই যাতায়াত করেন। জানা গেছে যে, নিজ উদ্যোগেই তারা সহজে বাজারে যাতায়াতের জন্য সাঁকোটি তৈরি করে।

 

কালের বিবর্তনে বাঁশের সাঁকো হারিয়ে গেলেও আধুনিকতার ছোঁয়ায় ডিজিটাল যুগে সাঁকোর পরিবর্তে পাকা ব্রিজের ব্যবস্থা করা হয়েছে অনেক জায়গায়। যোগাযোগ ব্যবস্থাকে করে দিয়েছে সহজ থেকে সহজতর। এভাবে বাস্তবায়ন হতে থাকলে গ্রাম-গঞ্জের কিছু এলাকায় ছোট -খাটো বাঁশের সাঁকো থাকলেও অদূর ভবিষ্যতে বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে মানুষের যোগাযোগ অন্যতম মাধ্যম হবে পাকা ব্রিজ।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT