১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

১কোটি ২৪লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত রাঙ্গামাটির বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন উদ্বোধন ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

।।রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি।।

 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক ১কোটি ২৪লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার ৫নং বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) সকালে বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে ভবনটির শুভ উদ্বোধন করেন খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার।

 

উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোঁয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকা গুলো আগামীতে আর দুর্গম থাকবে না। ১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাঁধ দিয়ে জল বিদ্যুৎ উৎপাদন করে তৎকালীন সরকার বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেয়ার কথা থাকলেও দিতে পারেনি। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে দুর্গম এলাকায় যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাচ্ছে না সেখানে সৌর প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নে বিদ্যুৎ নিয়ে আসা অসম্ভব হলেও আগামী অর্থবছরে বিদ্যুতের আওতায় আনা হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 

রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য হাজী মোঃ কামাল উদ্দিন, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা, জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান চিংকিউ রোয়াজা, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী আবু তালেব চৌধুরী, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শহীদুজ্জামান মহসিন রোমান, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য বিপুল ত্রিপুরা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ৫নং বন্দুকভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান বরুন কান্তি চাকমা।

 

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক অভয় প্রকাশ চাকমা, সদর উপজেলা প্রকৌশলী রনি সাহা, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দুর্গেশ্বর চাকমা, প্যানেল ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন ইসলাম, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীর নিশিত বরন তালুকদার প্রমূখ।

 

অনুষ্ঠান শেষে ১০০জন মানুষের মাঝে ১হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয় এবং ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনে বৃক্ষরোপণ করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি