২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

সিলেটে সাহায্যের জন্য খুড়িয়ে ঘুরছে এইচএসসি পরীক্ষার্থী বিশ্বনাথের সুমন; সাহায্যের হাত বাড়ান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সিলেট টাইমস ডেস্কঃ এসময় কথা ছিলো তার পড়ার টেবিলে থাকার, তবে এখন সে খুড়িয়ে হাটছে সিলেট শহরের পথে এমন একটি স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চোখে পড়ে।

স্ট্যাটাসটি দেয় “ট্রল কলেজেস সিলেট” (Troll Colleges Sylhet) নামের একটি পেইজ:

ছেলেটার নাম সুমন। সিলেট হক C.N.G পাম্প, সোবহানী ঘাটে গত ১৫ দিন ধরে হাটা হাটি করছে। ভিক্ষা করার জন্যে নয়, হাটাহাটি করছে একটু সাহায্যের জন্যে। বাবাহীন ডিগ্রি কলেজে পড়া ছেলেটি সামনে HSC পরিক্ষী দিবে। পড়ার টেবিলে বসার সময়ে সে সকাল থেকে বিকাল অবধি ছুটাছুটি করে বেড়াচ্ছে এদিক সেদিক খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। তার একটা পায়ের রগ ছিঁড়ে গেছে তাই পাটা প্রায় অবসই বলা চলে। চিকিৎসার জন্যে প্রায় লাখখানেক টাকার প্রয়োজন।

অনেকে ইতো এই ফাল্গুন ও ভালবাসা দিবসে কাউকে না কাউকে ভালবাসা দিবেন, সেখান থেকে একটুখানি ভালবাসা যদি দেয়া যায় এই ছেলেটাকে তবে এগিয়ে আসার অনুরোধ রইলো। আমি নিজেও পাশে দাঁড়িয়েছি। তবে একা কেউ চাইলেই সব কিছু পারে না, মিলিত প্রচেষ্টায় বদলে দেয়া যায় অসম্ভব জিনিসগুলোকেও।

তাও যদি না পারেন তবে পোষ্টি একটু শেয়ার করবেন অথবা কারো সামনে এই ছেলেটি কথা তুলে ধরবেন। আপনি, আমি যদি না পারি তবে অন্য কেউ হয়তো পারবে এই ছেলেটিকে সাহায্য করতে। আল্লাহ কাউকে না কাউকে তো সেই তৌফিক দিয়েছেন নিশ্চয়ই তার পাশে দাঁড়ানোর, আর মাধ্যমটা অন্তত না হয় আপনি হলেন।

তার সাথে যোগাযোগ করার মাধ্যম: 01777-008186 এই নাম্বারটা তার নিজের। ওকে কল দিয়ে সরাসরি কথা বলে হেল্প করতে পারেন।
তাকে পাওয়া যাবে সোবানীঘাট সংলগ্ন হক সি এন জি পাম্পে।

এ স্ট্যাটাসে থাকা মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে সে জানায়, তার নাম সুমন দাস। সে বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী। তার এক পায়ের রগ কেটে গেছে, ঢাকায় চিকিৎসা চলছে। এর মধ্যে পরীক্ষা, তাই সে সিলেটে এসেছে। সহায়তার ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞেস করলে সে চিকিৎসার জন্য সাহায্য চাইছে বলে জানায়। সুত্রঃ বিয়ানীবাজার টাইমস

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি