১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

শ্রীপুরে আশ্রয়ন প্রকল্পের ১০১টি পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ রাশিদুল ইসলাম শ্রীপুর, মাগুরাঃ

 

মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার দুটি আশ্রয়ন প্রকল্পের ১০১ টি পরিবারের মাঝে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। আজ রবিবার বিকাল ৪ টার সময় শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিউজা-উল-জান্নাহর উপস্থিতিতে আশ্রয়ন প্রকল্পের ক্লাব ঘরের সামনে আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় থাকা পরিবার গুলোর মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়৷

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোছাঃ কহিনুর জাহান , শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুসাফির নজরুল, শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মশিয়ার রহমান, ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ সিরাজুল ইসলাম টোকনসহ সাংবাদিক ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। হরিন্দী আশ্রয়ন প্রকল্পে থাকা সুবা রানী বলেন, আমরা গরিব মানুষ আমাদেরকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই অভাবের সময়ে চাল, ডাল, তেল, আঠা,লবন দিয়েছে। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।

 

এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিউজা-উল-জান্নাহ জানান, শ্রীপুর উপজেলার ২ টি আশ্রয়ন প্রকল্পের মধ্যে হরিন্দী আশ্রয়ন কেন্দ্রের ৩৫ টি পরিবার ও সাচিলাপুর আশ্রয়ন কেন্দ্রের ৭৬ টি পরিবারের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সামগ্রী ৫ কেজি চাউল, ২ কেজি আটা, ১ কেজি লবন, ১ লিটার তেল ও ১ কেজি ডাউল অসহায় পরিবার গুলোর মাঝে বিতরন করা হলো। আশা করি করোনা পরিস্থিতিতে পরিবারগুলোর কিছুদিনের জন্য খাদ্যের অভাব লাঘব হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি