২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

শার্শার বেসরকারি ক্লিনিক থেকে নবজাতক চুরি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ সাগর হোসেন, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি:
যশোরের শার্শার একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে এক নবজাতক চুরি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে শার্শা উপজেলার নাভারন বাজারের ‘পল্লী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনোস্টিক সেন্টার’ থেকে শিশুটি চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় ক্লিনিক এলাকায় সোরগোল পড়ে যায়। শত শত মানুষ ভিড় করেছে ক্লিনিকে।
বেনাপোল পোর্ট থানার মানকিয়া গ্রামের নবজাতকের পিতা শরিফুল ইসলাম বলেন, আমার স্ত্রী নাসরিন বেগমের প্রসব বেদনা উঠলে বুধবার ভোরে নাভারণে পল্লী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। সেখানে সকাল ৯টায় টিকে সিজারিয়ানের মাধ্যমে একটা কন্যা সন্তানের জন্ম হয়।
নবজাতকের দাদী আছিয়া বেগম বলেন, আমরা শিশুটিকে নিয়ে বেডে আসার পর অনেকেই তাকে নিয়ে আদর করছিল। এরই মধ্যে শিশুটিকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান আমরা পাচ্ছি না।
পল্লী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের তত্বাবধায়ক আব্দুল হামিদ জানান, অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সুস্থ্য সন্তান জন্ম দেন প্রসুতি নাসরিন। সন্তানটি আমরা তাদের হাতে তুলে দেই। এর ঘন্টা দুই পরে শুনছি সন্তানটি পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
শার্শা থানার উপ পরিদর্শক হাসান আলি বলেন, ঘটনা শুনে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। জিজ্ঞাসাবাদ করছি। শিশুটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি