১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

লালমনিরহাটে সাড়ে ৩হাজার গাছ কেটেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় প্রায় ৪কোটি টাকার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। গাছ কাটতে বাঁধা দেওয়ায় চেয়ারম্যান হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগও উঠেছে। ইউপি চেয়ারম্যানসহ কয়েকজন ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে হাতীবান্ধা থানায় ডাইরী হয়েছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, হাতীবান্ধা উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়নের ২নং ও ৩নং ওয়ার্ড ময়দান হইতে বাউরা ইউনিয়নের হোসনাবাদ গ্রামের সীমানা পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কের দুই ধারের বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় সাড়ে ৩হাজার গাছ কেটেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪কোটি টাকা।

 

এ বিষয়ে সচেতন মহলের পক্ষে বুড়া সারডুবি গ্রামের মৃত ছকমল খাঁয়ের ছেলে আব্দুর রহমান উক্ত গাছ কাটা নিয়ে হাতীবান্ধা থানায় লিখিত একটি অভিযোগ করার প্রস্তুতির কথা শুনে, বড়খাতা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল (সোহেল) তার মুটোফোনে অভিযোগকারী আব্দুর রহমানকে হুমকি প্রদান করেন। পরে গত রোববার (৮ আগস্ট) আব্দুর রহমান হুমকীদাতা ইউপি চেয়ারম্যানসহ জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় গত তাং ০৮/০৮/২১ একটি ডায়েরী করেন যাহার নং-৩৫০।

 

অভিযোগকারী আব্দুর রহমান জানান, কিছু সংখ্যক লোক গত কয়েকদিন ধরে অবৈধভাবে গাছগুলি কেটে সাবাড় করে ফেলেছে। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করতে গেলে বড়খাতা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল (সোহেল) মুটোফোনে হুমকি দেয়। গাছ কাটার বিষয় আমি যেন মাথা না ঘামাই সে বিষয়ে বিরত থাকতে বলেন।

 

আব্দুর রহমান আরও জানান, ফকিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রুহুল কুদ্দুস লিটনসহ কয়েকজন ইউপি সদস্য গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত রয়েছে।

 

এ প্রসঙ্গে ইউপি সদস্য রুহুল কুদ্দুস লিটন তার বিষয়ে আনিত অভিযোগ এর কথা অস্বীকার করেন এবং বড়খাতা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল এর সাথেও যোগাযোগ করা হলে তিনি গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত ও হুমকি দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন।

 

তিনি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে।

 

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ এরশাদুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি