২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

রেলগেটে অনাকাঙ্খিত ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাজশাহী প্রেসক্লাব।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সারোয়ার জাহান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি রাজশাহী :

 

রাজশাহী মহনগরীতে রেলগেটের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে রাজশাহী প্রেসক্লাব।

 

রবিবার সন্ধ্যায় সংগঠনের সভাপতি সাইদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মো. আসলাম-উদ-দৌলা এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, রেলগেট এলাকায় দেশের শীর্ষ স্থানীয় দৈনিকের সাংবাদিকদের উপর হামলা এবং নবীন সাংবাদিকদের মানববন্ধন কর্মসূচিতে মুখোমুখি অবস্থানকে ঘিরে সৃষ্ট ঘটনায় মূলধারার সাংবাদিকরা বিব্রত। সভা-সমাবেশ, মিছিল-মানববন্ধন স্বাধীন দেশের সাংবিধানিক অধিকার। সংবিধানের ৩৭ ও ৩৮ অনুচ্ছেদে এ অধিকার দেয়া আছে। গনতান্ত্রিক দেশে সাংবাদিকরা এসব করতে পারেন।

 

কিন্তু শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি থেকে সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম রফিকসহ কয়েকজনের যেভাবে হামলা চালানো হয়েছে তা নিন্দনীয়, নাক্কারজনক। আমরা এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ও জড়িতদের শাস্তি দাবি করছি।

 

হামলার শিকার রফিকুল ইসলাম রফিক সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত মুখ। কি কারণে তার ওপর হামলা চালানো হলো ? কি কারণে তিনি মুখোমুখি অবস্থানে গেলেন ? কি কারণে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেয়ার মতো পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটলো, কেন তিনি সেখানে উপস্থিত হলেন এসব প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট অনাকাঙ্খিত ঘটনার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একই সাথে যারা সংগঠনের নেতৃত্ব দিবেন তাদের অবশ্যই সহনশীল আচরণের অধিকারী হতে হবে। নাহলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট হয়। পদ ও সংগঠনেরও গরিমা আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

 

এ ধরণের অনাকাঙ্খিত ঘটনার যাতে পূণরাবৃত্তি না ঘটে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হবে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। তবে মহাসড়কে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে কর্মসূচি পালন কাম্য নয়।

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।