২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

মাধবপুরে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ ও আতশবাজি উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাধবপুর প্রতিনিধি:হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সোনাই ব্রিজের নিচ থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ ও আতশবাজি আটক করেছে থানা পুলিশ।

বুধবার রাত ১০টার দিকে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি ইঞ্জিন চালিত নৌকা আটক করে তল্লাশি চালিয়ে ১৮০ বোতল ভারতীয় মদ ও বিপুল পরিমাণ আতশবাজি জব্দ করা হয়।

এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকার মাঝিসহ ৪-৫ জন চোরাকারবারি পানিতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়।

উদ্ধারকৃত মদ ও আতশবাজি আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা।

মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ কেএম আজমিরুজ্জামান জানান, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদউল্লাহ পিপিএম, বিপিএম এর তথ্য মতে অভিযান পরিচালিত হয়। উদ্ধারকৃত মদ ও আতশবাজি উপজেলার শ্রীধরপুর গ্রামের হাদিস মিয়ার ছেলে কাউসারের। তার সহযোগী একই গ্রামের নৌকার মাঝি আপন মিয়াসহ অজ্ঞাত ৪-৫ নৌকায় করে ভারতীয় মদ ও আতশবাজি একটি চালান মাধবপুরে নিয়ে আসছিল।

এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ওসি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি