২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

মাধবপুরে কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ: গ্রেপ্তার-২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাধবপুর প্রতিনিধি:হবিগঞ্জের মাধবপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ২জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) ভোর রাতে ধর্ষণের অভিযুক্ত আলম মিয়া (২৫) ও তার সহযোগী ফয়জুর রহমানকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে গ্রেপ্তার ২ আসামিকে হবিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারকের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

অপরদিকে বুধবার দুপুরে ধর্ষণের শিকার হওয়া কিশোরীকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল ডাক্তারি পরীক্ষা ও হবিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাধবপুর থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) আজিজুর রহমান নাঈম জানান, মাধবপুর পৌর শহরের ফায়ার সার্ভিস এলাকার এক কিশোরী ২১ অক্টোবর রাত প্রায় ১২ টার দিকে তার বাবার ঘর থেকে বের হয়ে দাদার ঘরে যাচ্ছিল। এ সময় উপজেলার পূর্ব মাধবপুর এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে আলম মিয়া ও ফায়ার সার্ভিস এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে ফয়জুর রহমান ওই কিশোরীকে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে একটি ঘরে আটকে রেখে ফয়জুর রহমানের সহযোগিতায় আলম মিয়া ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার কিশোরী নিজেই বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

বুধবার ভোর রাতে থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) কেএম আজমিরুজামানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ফায়ার সার্ভিস এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলম মিয়া ও ফয়জুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) কেএম আজমিরুজ্জামান জানান, ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ২ আসামিকে হবিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারকের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।