২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

মহম্মদপুরে কাঁচা বাজার গুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

করােনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশব্যাপি চলছ কঠাের লকডাউন। সরকার ঘােষিত বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কঠোর ভুমিকায় রয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার মােড়ে মােড়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চেকপাষ্ট। উপযুক্ত প্রমাণ বা জরুরি প্রয়ােজনে চলাচল করত হচ্ছে জনসাধারনকে।
তবে উপজেলা বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে মিলেছে ব্যতিক্রম চিত্র । বাজারগুলোতে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই। ক্রেতারা মানছেন না সামাজিক দূরত্ব। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গা ঘেঁষা ঘেঁষি করে চলছ কেনাকাটা।
উপজেলা সদরসহ বাবু্খালী, নাগড়া, বিনোদপুর কাঁচা বাজার বেশ কিছু সময় ধরে অবস্থান করে দেখা গেছে, বিক্রেতা ও ক্রেতাদের মুখে মাস্ক নেই। আবার কারাে কারাে মাস্ক পকেটে রয়েছে। এমনই একজন মাছ বিক্রেতা রমেশ মাঝির মুখে মাস্ক না দেখে জিজ্ঞাসা করতেই পকেটে থেকে মাস্ক বের করে মুখে দেয়।
এভাবেই ফল ব্যবসায়ী, সবজি বিক্রতা, পান বিক্রতা সহ বিভিন এলাকা থেকে বাজার করতে আসা অনেক ক্রেতার মুখে মাস্ক নেই। আবার কারো থাকলে নাকের নিচে নামিয়ে রেখে গায়ে গাঁ ঘেঁষে বেঁচা কেনা করছে।

চৌদ্দ দিনব্যাপি কঠাের লকডাউন শুরু হয়েছে ২৩ জুলাই থেকে। ঈদের আগে চৌদ্দ দিন লকডাউন দেওয়া হলেও ঈদের কারণে এক সপ্তাহ কঠাের লকডাউন শিথিল করা হয়েছিল। পরে করােনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না আশায় চৌদ্দ দিনের কঠাের লকডাউন দিয়েছে সরকার। দিন যত যাচ্ছে উপজেলা সদরসহ ইউনিয়ন পর্যায়ের হাট-বাজার, পাড়া-মহল্লা ও সড়কে মানুষের চলাচল ততোই বাড়ছে। বিভিন ইউনিয়ন ঘুরে এমনই দূশ্য চােখে পড়েছে।

বাজার করতে আসা মতিয়ার নামের একজন দিনমুজুর বলেন, ‘করােনায় আমাগের কিছুই হবে নানে। আমরা মাঠে-ঘাটে কাজ করা মানুষ। আমাগের কি হবি।’

বাবুখালী বাজারের সবজি বিক্রেতা মিরাজ মোল্যা জানান, ‘স্বাস্থ্য বিধি মেনে কেউ দোকানে আসে না। বললেও তারা শুনতে রাজি না। কয়েকজন স্যার আসে শুধু মাস্ক পড়ে। এখন তাই কাউকে কিছু বলি না’

এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামানদ পাল জানান, বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন কঠাের অবস্থানে প্রশাসনের সাথে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার বাহিনী কাজ করছে। সাধারন মানুষের কাঁচা বাজারসহ নিত্যপ্রয়ােজনীয় দােকানপাট বিকাল তিনটা পর্যন্ত খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে আমরা এ বিষয় গুলো লক্ষ করে অভিযান পরিচালনা শুরু করেছি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি