১৮ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

বৃষ্টি কষ্ট মনের অন্তরালে-সাহিত্য

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বৃষ্টি কষ্ট মনের অন্তরালে
হানুফা আক্তার খান(মিতু)

মেঘাঅচ্ছন্ন আকাশ কিছু ক্ষন পর হয়তো ঝুম বৃষ্টি শুরু হবে।

আকাশ বৃষ্টির আগমনি বার্তা দিয়ে যাচ্ছে।

গুম গুম বাজি ফোটানোর শব্দের মধ্যে দিয়ে বৃষ্টি ঝড়াবে বলে এত আয়োজন।

এ যেন কন্যা সাজিয়ে বিদায় দেওয়ার সংকেত ধ্বনি। চারদিক অন্ধকার হয়ে আকাশ কালো মেঘে আবৃও করলো নিজেকে।

পক্ষিকুল।নিস্তব্ধ হয়ে ক্লান্ত ডানায় ভর করে শান্তীর নীড়ে ফেরার জন্য ব্যস্ত।

শবুজ ঘাস আর দূরের ও কাছের বড় বৃক্ষের শবুজ পাতা গুলি ফ্যাকাশে হয়ে গেল।

অন্ধকারে বিলিন হলো চারদিক।

আকাশের কালো ছায়া প্রকৃতির সব সুন্দর্যকে অন্য রকম ভাবে সাজিয়ে দিলো।

শাই,শাই শব্দ আর বাতাসে আমে গাছের ঝুলে থাকা আম গুলি দুল খেতে লাগলো।

জানালার গ্রিল ধরে দাড়িয়ে রহিলাম অনেক দিনের বৃষ্টির জন্য প্রতিক্ষার প্রহর আজ ভাংবে।

ঠিক তাই প্রচন্ড বাতাসের সাথে এক ঝটকা বৃষ্টির আচ আমাকে ভিজিয়ে দিলো।

ঠান্ডা শিতল বাতাস আমাকে স্পর্শ করলো।

আমার মনের মরুভুমির তে চৌচির হয়ে যাওয়া ফাটল গুলো এক পরশা বৃষ্টির আচে তৃষ্ণা মেটালো।

মনের ভেতরের জমে থাকা না পাওয়ার কষ্টের আগুন নিভিয়ে দিলো।
বেশ কয়েক আছর ধরে আমার একা কিত্বের জীবনের পথ চলাটা খুব সহয করে নিয়ে পথ চলছি।

বন্ধু মহল,আত্বিয় স্বজন,পরিচিত মানুষ গুলি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে নিজের জগৎ।নিয়ে বেশ ভালো চলছে দিন গুলি।

মনে কখনো চায় না আমার জীবনে শূন্য অধ্যায় কেউ গল্প হয়ে আসুক।

আমার দূ্র্গম একা পথ চলার পথে কেউ ভালবাসার পএ আমার হাতে মুড়িয়ে দিয়ে বলে আমি তোমায় ভালবাসি।

জীবনের অনেক গুলি অধ্যায় পার করে এসেছি একাকিত্ব নিয়ে।

এখন আর বাকি দিন গুলি অল্প সময়ে নতুন কোন ভালবাসার গল্পের সুচনা হোক আমার জীবনে তা আমি চাই না।

তুমি যা বলো আর আমাকে বোঝাও।

এ জীবনে শেষ পারাবারের জন্য মাঝ পথে সাকোর প্রয়োজন নেই।

কাদা মাটি রাস্তায়, ধুলো মাখা মেঠ পথে,খালি পায়ে আমি একাই হাটতে চাই।

ঝুম বৃষ্টিতে খোলা মাঠে আমি একাই ভিজবো।আমার দির্ঘদিনের একাকিত্ব প্রেম হলো প্রকৃতি।

আমার অআসাধের ভিরে শান্তির আলো ছিল রাতের চাঁদ।আমার নিশব্দের কান্নার শব্দ ঢেকে রাখতো ঝুম বৃষ্টি।

আমার কষ্টের কালো ঢ়ায়া ঢেকে রেখে ছিল আমাবস্যা কালো ছায়া।

যাতে আহিরের,কেউ আমার কষ্ট বুঝতে না পারে।আমার হাসির অন্তরালে যে কষ্ট গুলি লুকিয়ে থাকতো সে লুকিয়ে থাকা কষ্ট গুলি আড়াল করে রাখতো পূনির্মার চাঁদ।

আমার অগনীত একাকিত্ব পথ চলার ক্লান্তি মেটাতো গোধূলির ছায়া।

আমায় নতুন সাজে সাজিয়ে দিতো গোধূলির রং।লাল হলুদ সবুজ বিকেলে কথা বলার জন্য কেউ পাশে থাকতেনা আমি বিকেলের মাঠে, ঘাস,ঘাস ফড়িং এর সাথে কথা বলতাম।

কথা বলতাম একাকিত্বের কষ্ট গুলির সাথে।

আমার যখন আদড়ের ছোয়া পেতে চাইতো আমার বিবাগী মন হটাৎ করে বিকেলের বৈরি বাতাস এসে আমার চুলে বিলি কেটে আদড় করে দিতো।

আমি আমার একাকিত্বের কল্পনার রাজ্য না পাওয়া সুখ গুলি নিয়ে ঘুরে বেড়াতাম।

অন্ধকার রাতে দূর তারাদের দিকে তাকিয়ে তোমাকে খোজতাম আমার মনের আকাশে।তখন তো তুমি আমায় দেখা দাওনি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।