২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ফুলপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের নতুন ঠিকানায়   জাতীয় শোক দিবস, বঙ্গবন্ধুর জন্য কাঁদলেন তাঁরাও।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ আলমগীর ইসলাম ফুলপুর (ময়মনসিংহ) ।

 

ফুলপুর পৌর শহর থেকে ৩কি.মি. দুরে সদর ইউনিয়নের আশ্রয়ণ প্রকল্পে এক সাথে ৪৪টি পরিবার। একসময় কিছুই ছিল না মাথা গোঁজার ঠাঁই। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী দিলেন জমিসহ ঘর। ১৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর বাবা-মা সহ পরিবার ও নিকটাত্মীয়দের কে হত্যা করা হয়। মর্মান্তিক এ খবর টেলিভিশনে দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি ঘর পাওয়া এসব অসহায় পরিবারের লোকজন। তাদের কথা ‘যাঁর জন্য ভাগ্য খুইল্যা দিছে‘ প্রধানমন্ত্রী ঘর দিলেন ‘ প্রধানমন্ত্রীর বাবা জাতির পিতার জন্য জাতীয় শোক দিবসের আয়োজনে শরীক হলেন । অন্যরকম এ শোক দিবস অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন ফুলপুর উপজেলা প্রশাসন ,ইউপি চেয়ারম্যানসহ অনেকেই। এসব উপকারভোগীদের এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার( ইউএনও) শীতেষ চন্দ্র সরকার সহ সকলেই। নগুয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের জাতীয় শোক দিবসটি অন্যরকম বলে মন্তব্য করেন। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় মসজিদের ইমাম সহ আশ্রয়ণের নিজ ঘরের সামনেই বসা। কোরআন খতমসহ দোয়া মাহফিলের আয়োজন। অপর দিকে অরুন চন্দ্র বিশ্বাস নামের একজন উপকারভোগী বড় পর্দায় বঙ্গবন্ধুর জন্য খ্যাতিমান শিল্পীদের বিভিন্ন গান ,যদি রাত পোহালে শোনা যেতো ,বঙ্গবন্ধু মরে নাই- শোন একটি মুজিবুরের থেকেসহ বিভিন্ন গান। ফশর আলী (৭৫) , নূরজাহান,রেনু রানী, মর্জিনা খাতুন সহ এসব ঘরের বাসিন্ধারা জানান, প্রধানমন্ত্রী আমাদের জন্য ঘর উপহার দিলেন সারাজীবন তাঁর পরিবারের জন্য দোয়া করবো । এ সময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম শুরুতেই বক্তব্য রাখেন। ফুলপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা আক্তার ববি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সরল ভাষায় তাঁদের সামনে এ মহান নেতার জীবন সমন্ধে তুলে ধরেন। আশ্রয়ণ পরিবারের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শীতেষ চন্দ্র সরকার ১৫ আগস্টের ভয়াল স্মৃতির কথা তুলে ধরেন। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল সোনার বাংলা গড়ার। এ দেশে গৃহহীনদের জন্য তিনিই প্রথম কাজ করেন।জাতির পিতাকে হত্যা করলেও তাঁর স্বপ্ন ও আদর্শকে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ পরিচালনা করছেন। এ সময় উপস্থিত সবাই হতবাগ হয়ে যান। অনেকের চোখে পানি নিয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ গ্রহন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শুভসংঘের উপদেষ্টা কৃষিবিদ কামরুল হাসান কামু ,উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী দারুস সালাম, সিনিয়র সাংবাদিক বিল্লাল হোসাইন, মোস্তফা খান প্রমুখ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি